spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
Homeদেশনতুন বছরে পর্যটনের নতুন জোয়ার সিকিমে বহুদিন পরে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়লো

নতুন বছরে পর্যটনের নতুন জোয়ার সিকিমে বহুদিন পরে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়লো

বাবা মন্দির হোক কিংবা চুংথাংয়ের রাস্তা, এখন সাদা বরফে মোড়া

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাসগুপ্ত, শিলিগুড়ি:

দরজা’ খুলতেই হুড়মুড়িয়ে ভিড় সিকিমের  লাচেন থেকে লাচুংয়ে। বড়দিনের প্রাক্কালে তুষারের  টানে যে এই ভিড়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পর্যটকদের এমন ভিড়ে সড়ক নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহারে কার্যত বাধ্য হল মঙ্গন জেলা প্রশাসন। ১ ডিসেম্বর লাচুং ও ১০ ডিসেম্বর লাচেন খুলে দেওয়া হলেও টুং-নাগা সড়কে যান চলাচলে সময় বেঁধে দিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু ওই নিষেধাজ্ঞা বুধবার থেকে আর থাকবে না। অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত যান চলাচলে অনুমতি মিলবে। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সে কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এক বছরের ধাক্কা সামলে নতুন করে হাসি ফিরেছে উত্তর সিকিমে।

বাবা মন্দির হোক কিংবা চুংথাংয়ের রাস্তা, এখন সাদা বরফে মোড়া। স্বাভাবিকভাবেই উত্তর সিকিম খোলার পর প্রতিদিনই বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা। সোমবার একদিনে ১৪৩২ জন পর্যটক উত্তর সিকিমে পা রেখেছেন। শুধু তাই নয়, বড়দিন ও নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত দার্জিলিং ও সিকিমে যা বুকিং রয়েছে তাতে পুজোর সময়ের ক্ষতি অনেকটা মেটানো যাবে বলে আশাবাদী পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ১ ডিসেম্বর থেকে ফের পর্যটকদের জন্য খোলা হচ্ছে মঙ্গন। ভারী বর্ষণে বিভিন্ন জায়গায় ছোট বড় ধসের জেরে প্রচুর রাস্তার পাশাপাশি মঙ্গন জেলার বেশ কিছু সেতু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। যে কারণে বছরের শুরুর দিক থেকেই এই রাস্তা বন্ধ করে মেরামতের কাজ শুরু হয়েছিল। রাস্তাটি তৈরি হওয়ার পর দফায় দফায় যানবাহন চলাচল করার সিদ্ধান্ত হয়।

সিকিম প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক এসেছেন উত্তর সিকিমে। আর এই পরিসংখ্যানেই আশার আলো দেখছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলছেন, ‘পর্যটন ক্ষেত্রে পুজোর সময় আমাদের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু এবার যেভাবে মানুষ বুকিং করেছেন তা ভীষণই আশাব্যাঞ্জক।’

ইস্টার্ন হিমালয়া ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস চক্রবর্তীর কথায়, ‘উত্তর সিকিমের ছোট-বড় হোটেলগুলিতে বড়দিন ও নতুন বছরের জন্য আর জায়গা নেই। পুজোর সময় আমাদের যে ক্ষতি হয়েছিল, এবার তা খানিকটা পুষিয়ে যাবে যদি সব ঠিক থাকে।’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন