Saturday, 24 October, 2026
24 October
Homeউত্তরবঙ্গDarjeeling: লক্ষ্মীলাভ প্রায় দেড় কোটি টাকা! পুজোর মরশুমে ১২ হাজার পর্যটকের টয়ট্রেনে...

Darjeeling: লক্ষ্মীলাভ প্রায় দেড় কোটি টাকা! পুজোর মরশুমে ১২ হাজার পর্যটকের টয়ট্রেনে সফর

পাহাড়ের সবুজ চা বাগান, মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি আর বাঁক নেওয়া রেললাইনে ঐতিহ্যবাহী ইঞ্জিনের হুইসেলের টানে পর্যটকদের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

শারদোৎসবের ছুটিতে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে পর্যটকদের ঢল এবার নতুন রেকর্ড গড়ল। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের (UNESCO World Heritage Site) স্বীকৃতি প্রাপ্ত দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (DHR)-এর টয়ট্রেন যাত্রায় পর্যটকদের অভূতপূর্ব সাড়া মিলল। রেলসূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুজোর মরশুমে মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে প্রায় ১২ হাজার পর্যটক টয়ট্রেনে চড়ে পাহাড়ি উপত্যকা ঘুরে দেখেছেন। আর এর ফলেই রেলের ঘরে এসেছে প্রায় দেড় কোটি টাকার রাজস্ব।

আরও পড়ুনঃ  বড় ধাক্কা আকাশপথে; রিয়াদসহ চার শহরে বিমান বাতিল ইন্ডিগোর

মাত্র ২১ দিনে আয় ১ কোটি ৪১ লক্ষেরও বেশি

দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর—এই ২১ দিনে মোট ১২ হাজার পর্যটক টয়ট্রেন পরিষেবা উপভোগ করেছেন। এর জেরে রেলের কোষাগারে জমা হয়েছে ১ কোটি ৪১ লক্ষ ২৩ হাজার ১০০ টাকা। প্রতিবারের মতো এবারও পুজোর মরশুমে পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া বাঙালি তথা দেশ-বিদেশের ভ্রমণপিপাসুদের কাছে টয়ট্রেন যে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ, এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ দেয়। পাহাড়ের সবুজ চা বাগান, মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি আর বাঁক নেওয়া রেললাইনে ঐতিহ্যবাহী ইঞ্জিনের হুইসেলের টানে পর্যটকদের আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বিশেষ জয়রাইড ও নতুন পরিষেবার চালুকরণ

পর্যটকদের বিপুল চাহিদা মেটাতে এবং কাউন্টার থেকে টিকিট না পেয়ে কাউকে যাতে খালি হাতে ফিরে যেতে না হয়, সেজন্য এবারে একাধিক বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ:

  • ‘মুক্তধারা জয়রাইড’: পর্যটকদের চাহিদা বুঝে পুজোর ঠিক আগেই কার্শিয়াং স্টেশন থেকে চালু করা হয়েছিল নতুন ডিজেল ইঞ্জিনচালিত বিশেষ টয়ট্রেন পরিষেবা—‘মুক্তধারা জয়রাইড’। পড়ন্ত বিকেলে কার্শিয়াং থেকে মহানদী এবং মহানদী থেকে কার্শিয়াং রুটে এটি যাতায়াত করেছে।

  • দার্জিলিং ও ঘুম রুট: পর্যটকদের ভিড় সামলাতে দার্জিলিং ও ঘুম স্টেশনের মধ্যে ডিজেল ইঞ্জিনচালিত চার রাউন্ড জয়রাইড চালু রাখা হয়েছিল।

  • ‘রেড পান্ডা’ স্টিম ইঞ্জিন: কার্শিয়াং ও মহানদীর মধ্যে দুটি বিশেষ রাউন্ড ট্রিপ চালু ছিল। এর মধ্যে ‘রেড পান্ডা’ নামের জনপ্রিয় স্টিম ইঞ্জিনচালিত ট্রিপটি সকাল ৯টায় কার্শিয়াং থেকে ছেড়ে মহানদী ঘুরে ফিরে আসে।

আরও পড়ুনঃ  বাড়ছে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা? বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের শক্তি বৃদ্ধি; জারি সতর্কতা

কী বলছেন রেলকর্তৃপক্ষ?

দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরী জানান, “টয়ট্রেন আমাদের পাহাড়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি প্রাপ্ত বাষ্পচালিত ও ডিজেলচালিত টয়ট্রেনে ভ্রমণ পর্যটকদের কাছে সব সময়ই এক বিশেষ অভিজ্ঞতা।” তিনি আরও জানান, পর্যটকদের বিপুল সাড়ার নেপথ্যে রেলের এই বিশেষ পর্যটন পরিষেবাগুলি বড় ভূমিকা নিয়েছে। ঐতিহ্যকে সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রেখে যাত্রীদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করার ওপর বরাবরই জোর দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের সামগ্রিক পর্যটন অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এই টয়ট্রেন পরিষেবার জনপ্রিয়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন