ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করা বাংলাদেশি নাগরিকদের ধরল রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স। জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে দিল্লিগামী উত্তর-পূর্ব এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে ১৪ বাংলাদেশিকে আটক করে আরপিএফ। এদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও চারজন নাবালক রয়েছে। আটক বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ডও মিলেছে। এদিকে তল্লাশির সময় এই বাংলাদেশিদের কাছ থেকে আরও বেশ কিছু ভুয়ো নথি এবং মালয়েশিয়ার মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা জানা, কাজের সন্ধানে কাশ্মীরে যাচ্ছিল তারা। ধৃতদের মধ্যে মহঃ কামাল হোসেন ও মহঃ কালাম শেখ নামে দুই ব্যক্তির নাম জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ টানটান উত্তেজনা ভবানীপুরে, গাড়ি বদলালেন অমিত শাহ
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরপিএফ ইন্সপেক্টর বিপ্লব দত্ত জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এই বাংলাদেশিদের ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের আরপিএফ কর্মীরা ট্রেনে অভিযান চালান। পরিদর্শনের সময় বেশ কয়েকজন সন্দেহজনক ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন আরপিএফ কর্মীরা। তাদের আধার কার্ড খতিয়ে দেখেন আরপিএফ কর্মীরা। তখন তাদের মনে হয় সেই আধার কার্ডগুলো ভুয়ো। এই আবহে আমরা ৫ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা এবং ৪ শিশুকে আটক করেছি। এরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।’ এই বাংলাদেশিরা অনুপ্রবেশের জন্য কোন রুট ব্যবহার করেছিলেন এবং কাশ্মীরে যাওয়ার নেপথ্যে অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ‘অত্যন্ত নিন্দনীয়’, কালিয়াচকের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট
কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশ সীমান্তের কাছ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল শব্বির আহমেদ লোন নামে এক কাশ্মীরি জঙ্গিকে। ঢাকা থেকে ভারত বিরোধী মডিউল চালাত শব্বির। ২০০৭ সালে একটি জঙ্গিযোগ মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল সে। পরে জামিন পেয়ে ২০১৯ সালে সে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছিল। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফফরাবাদে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছিল শব্বির। এই শব্বিরের মডিউলের ৭ বাংলাদেশি সহ ৮ জনকে সম্প্রতি তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। সম্প্রতি দিল্লির বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কে উস্কানিমূলক পোস্টার লাগানো হচ্ছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমেই এই মডিউলটির পর্দা ফাঁস হয়েছিল।



