Sunday, 22 March, 2026
22 March
Homeআন্তর্জাতিক নিউজIran: হাতে সময় ৪৮ ঘণ্টা! হরমুজ় না খুললে মঙ্গলবারই ইরান ধ্বংস 

Iran: হাতে সময় ৪৮ ঘণ্টা! হরমুজ় না খুললে মঙ্গলবারই ইরান ধ্বংস 

শুধুমাত্র ভারত, রাশিয়া ও চিনের জন্য হরমুজ় খোলা রয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ কবে শেষ হবে? শান্তি কি আর ফিরবে না? কখনও ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির কথা বলছেন। কখনও ইরান পাল্টা শর্ত দিচ্ছে। আবার ইরান যখন সুর নরম করছে, তখন ট্রাম্প আবার সুর চড়াচ্ছে। নতুন করে হামলা চালানোর হুমকি দিচ্ছে। এই আবহে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ল। ফের ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেঁধে দিয়েছেন সময়ও। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, হরমুজ় সম্পূর্ণ না খুলে দেওয়া হলে জোরালো হামলা হবে। পাল্টা তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানও।

আরও পড়ুনঃ ইজ়রায়েলের ডিমোনায় পরমাণু কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানেই তিনি জানান, এবার আমেরিকার নিশানায় রয়েছে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি। তিনি লেখেন, “কোনও হুমকি ছাড়া যদি ইরান অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী না খুলে দেয়, তাহলে আমেরিকা ইরানের একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাবে। শুরু হবে সবথেকে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়ে।” ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার সময় দিয়েছে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সকাল ৫টা ১৪ নাগাদ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবারের মধ্যে যদি ইরান তাঁদের শর্ত না মানে, তাহলে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির জবাবে পাল্টা কড়া বার্তা দিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। তারা জানিয়েছে, যদি ইরানের জ্বালানি, বিদ্যুতের পরিকাঠামো বা প্রযুক্তির উপর হামলা হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার সমস্ত জ্বালানি, প্রযুক্তির উপর হামলা চালিয়ে সব ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ চিন্তায় ইউরোপ! ইরান এনে ফেলেছে লন্ডন-প্যারিসকেও আক্রমণের নাগালে

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে জেরে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে হরমুজ় প্রণালী বন্ধ রয়েছে। আংশিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হরমুজ় প্রণালী। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে তেহরান জানিয়েছিল, শুধুমাত্র রাশিয়া ও চিনের জন্য হরমুজ় খোলা রয়েছে। পরে ভারতের বিভিন্ন তেলবাহী জাহাজ পারাপারেও অনুমতি দেয়। দিন কয়েক আগেও ইরানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয়, শুধুমাত্র আমেরিকা ও ইজ়রায়েল বাদে বাকি দেশগুলোর জন্য হরমুজ় প্রণালী খোলা রয়েছে। তবে, নয়া দিল্লি জানিয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ খুলে দেয়নি। প্রত্যেক জাহাজের জন্য আলাদা করে কথা বলতে হচ্ছে ইরানের সঙ্গে।

এদিকে, হরমুজ় প্রণালীতে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। ট্রাম্প এই বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও, স্যাটেলাইট ছবি বলছে অন্য কথা। ট্রিপলি নামে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ নাকি মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে। যুদ্ধজাহাজে রয়েছে ২২০০ মার্কিন সেনা। তাহলে কি হরমুজ়ে বড় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে ফেলেছে ট্রাম্প? অন্যদিকে, ট্রাম্প ক্রমাগত বন্ধু দেশগুলির উপরে চাপ সৃষ্টি করছে হরমুজ প্রণালীতে রণতরী পাঠাতে। যদিও কেউই সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন