জেলমুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সোমবার। সেই মতো মঙ্গলবার দুপুরে মুক্তি পেলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দুপুর ২টো ২০ নাগাদ বাইপাসের ধারের হাসপাতাল থেকে হুইলচেয়ারে চেপে বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। তিনি বেরিয়ে আসতেই হাসপাতাল চত্বরে আগে থেকে ভিড় করা অনুগামীরা স্লোগান তোলেন ‘পার্থদা জিন্দাবাদ’।
এই সব দৃশ্য দেখে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। কেঁদে ফেলেন তিনি। তবে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে কিছু বলেননি তিনি। অসম্মতিসূচক ঘাড় নেড়ে বুঝিয়ে দেন, তিনি কোনও উত্তর দিতে চান না।
নীলের উপর সাদা ফুলছাপ পাঞ্জাবি পরে বাইরে বেরোন পার্থ। তাঁর মুখে ছিল নীলরঙা মাস্ক। আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল গাড়ি। চালকের পাশের আসনে বসে নাকতলার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন পার্থ। গাড়ির সঙ্গেই ছুটতে থাকেন পার্থ-অনুগামীরা। ভিতরে বসে হাত জোড় করে নমস্কার জানাতে দেখাতে যায় তাঁকে।
আরও পড়ুনঃ ‘অসম্মানজনক, দায়িত্বজ্ঞানহীন, ক্ষমার অযোগ্য!’ ধর্মেন্দ্রর ‘মৃত্যু’র খবর ছড়াতেই বিরক্ত হেমা
নিয়োগ মামলায় ২০২২ সালের ২৩ জুলাই কলকাতার নাকতলার বাড়ি থেকে পার্থকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট কয়েক মাস আগেই বলে দিয়েছিল যে, সিবিআইয়ের মামলায় বিচারপর্ব শুরু হলেই পার্থ, এসএসসির তৎকালীন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য ও উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিংহের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করা যাবে।

১৪ নভেম্বরের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে চূড়ান্ত জামিন মঞ্জুর করার নির্দেশও দেয় শীর্ষ আদালত। সেই মতো সোমবার ওই মামলায় অষ্টম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তার পর আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক পার্থকে জেলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। তার পর আদালতের এই সংক্রান্ত নথি পৌঁছোয় প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের কাছে। সেখান থেকে নথি যায় হাসপাতালে।








