শেখ হাসিনা মূল ধারার সংবাদ মাধ্যমে মুখ খোলার আপত্তি তুলল মহম্মদ ইউনুসের প্রশাসন। বৃহস্পতিবার ঢাকায় ভারতের উপ হাই কমিশনার পবন ভাদেকে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকে ডেকে পাঠিয়ে সে দেশের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক সরকারের আপত্তির কথা জানান।
আরও পড়ুনঃ ফের শুরু হবে Operation Sindoor 2.0! ঘোষণা কেন্দ্রের
আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসিনা সম্প্রতি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক এবং প্রথম সারির ভারতীয় মিডিয়াকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে উচ্চ অভিযোগ তুলেছেন। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লিগকে ছাড়া নির্বাচন কখনও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আওয়ামী লিগকে নির্বাচনে অংশ নিতে না দিলে তাঁর দলের লোকেরা ভোটকেন্দ্রে নাও যেতে পারেন, বলেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
এইসব সাক্ষাৎকার নিয়েই আপত্তি তুলেছে ঢাকা। বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য শেখ হাসিনা একজন পলাতক আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কিছুদিনের মধ্যেই সাজা ঘোষণা করবে। এমন একজনকে মিডিয়ায় মুখ খুলতে দেওয়া অনুচিত।
আরও পড়ুনঃ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ বিশ্বজয়ী বঙ্গকন্যা রিচাকে এবার সংবর্ধনা দেবে সবুজ-মেরুন
চলতি বছরের এপ্রিলের গোড়ায় ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস সাবেক প্রধানমন্ত্রী সমাজ মাধ্যমে মুখ খোলা নিয়ে আপত্তি তোলেন। ইউনুসের দাবি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁকে বলেছেন, ভারতের সমাজ মাধ্যম উন্মুক্ত।
ভারত সরকার এই ব্যাপারে কারও স্বাধীনতা হস্তক্ষেপ করার পক্ষপাতি নয়। এখন মূল ধারার মিডিয়ায় হাসিনা মুখ খোলায় বাংলাদেশের আপত্তি নিয়ে নয়া দিল্লি কী প্রতিক্রিয়া দেয় সেটাই দেখার। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তাদের অনেকেই মনে করছেন, শেখ হাসিনা একজন রাজনীতিবিদ। ভারতের অতিথি হয়ে থাকলেও রাজনৈতিক বক্তব্য পেশ করার পূর্ণ অধিকার তাঁর আছে। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই পদক্ষেপ করা উচিত নয়া দিল্লির।









