spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
HomeকলকাতাPartha Chatterjee: হায়রে, পার্থর ছায়াও মাড়াবে না তৃণমূল! কালীঘাট অবস্থান স্পষ্ট করে...

Partha Chatterjee: হায়রে, পার্থর ছায়াও মাড়াবে না তৃণমূল! কালীঘাট অবস্থান স্পষ্ট করে দিল

পার্থর জন্য দল যা বেইজ্জত হয়েছে, তা আর কারও জন্য হয়নি। সুতরাং ওঁর ছায়াও মাড়াবে না দল।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সওয়া তিন বছর পর জামিনে ছাড়া পেয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তার পর থেকে যেন তর সইছে না। রাজ্য রাজনীতিতে এখনই তাঁকে প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পেতে হবে, এখনই বিধানসভায় যেতে হবে। এমনকি লাগাতার সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে ইনিয়েবিনিয়ে দাবি করছেন, ‘মনে রাখবেন, অভিষেক-মমতা আর আমি তৃণমূলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।’ এ হেন পরিস্থিতিতে তৃণমূলের অবস্থান কী, তা জানার যেমন মানুষেরও আগ্রহ রয়েছে, তেমনই দলের মধ্যেও নেতা-কর্মীরা বুঝতে চাইছেন, কালীঘাটের মনোভাব কী!

আরও পড়ুনঃ অবশেষে মন্ত্রীত্ব খারিজ সংক্রান্ত জেপিসি’র গঠন! মাথায় বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা

সূত্রের দাবি, বুধবার সন্ধেয় কালীঘাট থেকে সেটাই স্পষ্ট করে দলের মুখপাত্রদের বলে দেওয়া হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে সংবাদমাধ্যম তৃণমূলের অবস্থান জানতে চাইলে বলতে হবে, উনি এখনও সাসপেন্ডেড নেতা। দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে ৬ বছরের জন্য দল সাসপেন্ড করেছে। তার মধ্যে মাত্র সওয়া তিন বছর হয়েছে। এখনও ২ বছর ৭ মাস সাসপেনশনের মেয়াদ বাকি রয়েছে।

শুধু তাই নয়, কালীঘাট জানিয়ে দিয়েছে, এও বলতে হবে যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে যে অভিযোগ উঠেছিল, তার তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। সেই তদন্ত চলছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখনও নির্দোষ প্রমাণিত হননি। তিনি শুধু জামিনে মুক্তি পেয়েছেন মাত্র। যত দিন না তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারছেন, ততদিন তাঁকে সংগঠন বা দলের সক্রিয় সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

মঙ্গলবার দুপুরে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তার পর থেকে তাঁর নাকতলার বাড়িতে হামলে পড়েছে সংবাদমাধ্যম। তাতে তিনি বারবার বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কের কথা তুলেছেন। স্ত্রী বিয়োগের পর অর্পিতা কীভাবে তাঁর জীবনের শূন্যতা পূরণ করে দিয়েছেন, তা তুলে ধরেছেন। এও বলেছেন, ‘অর্পিতা ছিল আছে থাকবে’। অর্পিতা ওড়িয়া চলচ্চিত্রের এক নম্বর নায়িকা ছিলেন বলে দাবি করে গর্ব-গর্ব মুখে পার্থ এও জানিয়েছেন, এই সম্পর্ককে তিনি কখনওই অস্বীকার করবেন না।

আরও পড়ুনঃ হাসিনার মুখ বন্ধ করতে দিল্লিকে চাপ ঢাকার

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই সব কথা নিয়ে সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে সংবাদমাধ্যমেরও সমালোচনা করে বলছেন, পার্থকে নিয়ে এত আদিখ্যেতা কেন? তৃণমূলও সবটার উপর নজর রাখছে।

কালীঘাটের এক ঘনিষ্ঠ নেতার কথায়, এটা ঠিক যে দলের অনেক নেতা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর বাড়ি থেকে যেভাবে প্রায় ৫০ কোটি টাকার নগদ ও সোনাদানা উদ্ধার হয়েছে তা দৃশ্য দূষণ। পার্থর জন্য দল যা বেইজ্জত হয়েছে, তা আর কারও জন্য হয়নি। সুতরাং ওঁর ছায়াও মাড়াবে না দল।

বুধবার দ্য ওয়ালে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পার্থ জানিয়েছেন, তিনি শিগগির বিধানসভায় যাবেন। তাঁর দু’পা অবশ্য এখনও ফোলা। একলা চলার মতো পরিস্থিতিও খুব একটা নেই। হাতও ফুলে রয়েছে। তবু তাঁর দাবি, তিনি শুধু সভায় যাবেন না হাত তুলে তাঁর কথা বলারও চেষ্টা করবেন।

পার্থ এখনও বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক। তাই বিধানসভায় যাওয়ার তাঁর পূর্ণ অধিকার রয়েছে। কিন্তু বিধানসভায় গেলেই তৃণমূলের অন্য বিধায়করা যে তাঁর সঙ্গে আগ বাড়িয়ে কথা বলবেন, তা হয়তো হবে না। দলের এক নেতার কথায়, পার্থর বিধানসভায় না যাওয়াই ভাল। ওঁরই খারাপ লাগবে। এক সময় পরিষদীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য যাঁরা ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতেন, তাঁরা এখন পার্থর সঙ্গে কথাও বলতে চাইবেন না। এর পুরো দায়ও অবশ্য পার্থরই।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন