বিহার বিধানসভার ভোটের ফলাফল যতই বিজেপি-র পালে হাওয়া দিচ্ছে, ততই পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে আশার বেলুনে উঠছে গেরুয়া শিবির। সকাল সকাল ভোটগণনার প্রবণতায় এনডিএ বিহারের ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, বিহারের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, এখানে আর নৈরাজ্যের সরকার চলবে না।
আরও পড়ুনঃ মগধভূমে মহাজোটে ‘বোঝা’ কংগ্রেস! ‘টাইগার আবি জিন্দা হ্যায়’, নিতিশ ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে মহাজোট
বিহারের যুবসমাজ খুবই বুদ্ধিমান। এই জয় উন্নয়নের জয়। আমরা বিহারে জিতছি। এবারের টার্গেট বাংলা। তিনি দাবি করে বলেন, আগামী বছর বাংলায় বিজেপি সরকার গড়বে।
ইতিমধ্যেই পাটনার বিজেপি অফিসে একটি বিরাট ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ জয়সওয়াল বলেন, এটা অনিবার্য যে, এনডিএ এবার বহু জনমত পেতে চলেছে। আমরাই আবার সরকার গড়ছি।
এনডিএ ভুক্ত সব নেতাই মারাত্মক পরিশ্রম করেছেন। নীতীশ কুমার থেকে চিরাগ পাসোয়ান, জিতন রাম মাঝি, উপেন্দ্র কুশওয়া, প্রধানমন্ত্রী মোদী, জেপি নাড্ডা, অমিত শাহ কিংবা রাজনাথ সিং সকলের পরিশ্রমের ফলে জয় হাসিল হয়েছে। আমরা নীতীশ কুমারকেই মুখ করে নির্বাচনে জিতেছি। আমাদের স্লোগানই ছিল দুহাজার পচ্চিশ, ফির একবার নীতীশ।
বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র সৈয়দ জাফর ইসলাম বলেন, প্রাথমিক প্রবণতাতেই প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, এনডিএ পরিষ্কার বহুমত পেতে চলেছে। বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরাই সরকার গঠন করতে চলেছি। পঞ্চপাণ্ডবের ঐক্যবদ্ধ যুদ্ধে এই বিশাল জয় হাসিল হতে চলেছে।
যদিও শুক্রবার সকালে ভোটগণনা শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগেই আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব তাঁর বাবা লালুপ্রসাদ এবং দিদি লোকসভা সদস্য মিসা ভারতীকে নিয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসে বলেন, আমরা জিততে চলেছি। সকলকে ধন্যবাদ। পরিবর্তন আসতেই চলেছে। আমরা সরকার গড়তে চলেছি। উল্লেখ্য, পারিবারিক কেন্দ্র রাঘোপুর থেকে বর্তমানে এগিয়ে রয়েছেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।









