spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গSiliguri: বিহারে গেরুয়া ঝড়, এসআইআর-এ কাঁপছে বাংলা; শিলিগুড়িতে রাস্তা থেকে উধাও অর্ধেক...

Siliguri: বিহারে গেরুয়া ঝড়, এসআইআর-এ কাঁপছে বাংলা; শিলিগুড়িতে রাস্তা থেকে উধাও অর্ধেক টোটো

শহরের প্রধান রাস্তার পাশাপাশি পাড়ার অলিগলিতে টোটোর সংখ্যা বিপুল হারে কমেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত,শিলিগুড়িঃ

শিলিগুড়ি শহরে টোটো-র সংখ্যা এমন হারে বেড়েছে যে তার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ, প্রশাসনকে একাধিক পন্থা অবলম্বন করতে হয়েছে। টোটোর কারণে যানজট হয় বলেও অভিযোগ। সমস্যায় পড়ে পথচলতি মানুষজন এ নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন একাধিকবার। তবে গত ৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর শুরু হতেই হঠাৎ করে বদলে গিয়েছে শহরের চেনা ছবিটা। গত কয়েকদিন শহরের রাস্তা থেকে প্রচুর টোটো উধাও হয়ে গিয়েছে। শহরের প্রধান রাস্তার পাশাপাশি পাড়ার অলিগলিতে টোটোর সংখ্যা বিপুল হারে কমেছে। কিন্তু কেন এভাবে কমল টোটোর সংখ্যা। এসআইআর-এর সঙ্গেই বা এর সম্পর্ক কী? শহরের নাগরিকদের মধ্যেও এনিয়ে গুঞ্জনের শেষ নেই!

আরও পড়ুনঃ লক্ষ্য এবার বাংলা, বিহারে জয়ের গন্ধে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

এবার তাহলে কারণ সম্পর্কে জানা যাক। বিভিন্ন টোটোচালক ইউনিয়নের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, শহরে যাঁরা টোটো চালান তাঁদের মধ্যে সিংহভাগ ভিনজেলার বাসিন্দা। এসআইআর শুরু হতেই তাঁরা নিজ জেলায় গিয়েছেন। আর তাতেই শহরের রাস্তায় হঠাৎ করে টোটোর সংখ্যা কমে গিয়েছে। যদিও পুলিশ দাবি করছে টোটো চলাচল নিয়ন্ত্রণের কারণেই নাকি টোটোর সংখ্যা কমেছে। শিলিগুড়ি কমিশনারেটের ডিসিপি (ট্রাফিক) কাজি সামসুদ্দিন আহমেদের বক্তব্য, ‘নম্বরহীন টোটো শহরে চলতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ বিভিন্ন জায়গাতে অভিযান চালাচ্ছে। সেই কারণে শহরের টোটোর সংখ্যা কমেছে।’

অন্যদিন, হাসমি চকে বিপুল সংখ্যায় টোটোর লাইন দেখা যায়। তবে বুধবার দুপুরে টিকিয়াপাড়া উড়ালপুল থেকে হাসমি চকের দিকে নেমে আসার সময় দেখা গেল, পুরো রাস্তা ফাঁকা। কিছু যানবাহন চললেও টোটোর সংখ্যা নেই বললেই চলে। তবে শুধু বুধবার নয়, গত কয়েকদিন ধরে ছবিটা এমনই।

আরও পড়ুনঃ মগধভূমে মহাজোটে ‘বোঝা’ কংগ্রেস! ‘টাইগার আবি জিন্দা হ্যায়’, নিতিশ ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে মহাজোট

শহরে টোটোর সংখ্যা যে কমেছে সেকথা মেনে নিয়েছেন আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত শিলিগুড়ি বৃহত্তর ই-রিকশা ইউনিয়নের সভাপতি রাকেশ পাল। তাঁর কথায়, ‘অনেক টোটোচালক বাইরে থেকে এসে এখানে টোটো চালান। এসআইআর-এর জন্য তাঁরা বাড়ি গিয়েছেন। ওঁরা ফিরে এলে টোটোর সংখ্যা আবার বেড়ে যাবে।’

এদিকে, শহরের রাস্তায় যানজট কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষও যেন অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন। তিনবাত্তির বাসিন্দা মনোজ সরকার শালুগাড়ায় একটি চারচাকার গাড়ির শোরুমে কাজ করেন। প্রতিদিন উড়ালপুল, বিধান রোড ও সেবক রোড হয়ে তিনি কাজে যান। মনোজের কথায়, ‘শহরের যানজটের কারণে অফিস যেতে আসতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় বেশি লাগে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে আধ ঘণ্টার কম সময়ে বাড়ি থেকে অফিস পৌঁছে যাচ্ছি।’ তবে শুধু হাসমি চক নয়, হিলকার্ট রোড, নিবেদিতা রোড, সেবক রোড, বর্ধমান রোড সর্বত্রই যানজট কমেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন