spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজSheikh Hasina: ‘ডোন্ট কেয়ার’ হাসিনা! আল্লা জীবন দিয়েছেন, আল্লাই নেবেন, পরোয়া করি...

Sheikh Hasina: ‘ডোন্ট কেয়ার’ হাসিনা! আল্লা জীবন দিয়েছেন, আল্লাই নেবেন, পরোয়া করি না! হাসিনার অডিয়োবার্তা

জানালেন, তিনি রায়ের পরোয়া করেন না। কারণ, ‘আল্লা জীবন দিয়েছেন, তিনিই নেবেন’। আগামী দিনে বাংলাদেশে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে তাঁর দল, ঘোষণা করেছেন হাসিনা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বাংলাদেশের বহুল আলোচিত ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ মামলার রায় ঘোষণার দিনেই সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা দিলেন দেশের অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । সোমবার রায় ঘোষণার আগে তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি ‘ভুয়ো’। তা ছাড়া বিচার প্রক্রিয়া তো চালাচ্ছেন “অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করা” মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার।

আওয়ামী লীগের শিকড় মাটিতে, কোন বেআইনি ক্ষমতাদখলকারীর পকেটে নয়

এক অডিও বার্তায় হাসিনা অভিযোগ করেন, তাঁর দল আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি বলেন—“তারা চায় আওয়ামী লীগ রাজনীতি না করুক। দলটিকে নিষিদ্ধ করতে চায়। কিন্তু এত সহজ নয়। আওয়ামী লীগ এই দেশের মাটি আর মানুষের মধ্য থেকে উঠে এসেছে। কোনও অবৈধ ক্ষমতাদখলকারীর পকেট থেকে নয়।

আরও পড়ুনঃ সরগরম বাংলাদেশ; দফায় দফায় অশান্তি; আদালত ফাঁসির সাজা দিলে কী করবে বাংলাদেশ?

সম্পত্তি লুঠ ও গণভবন দখল নিয়ে ক্ষোভ
গত বছরের ছাত্র-অভ্যুত্থানের সময় গণভবনে হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর ব্যক্তিগত জিনিসপত্র “লুঠ” ও “আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া” হয়েছিল। তারপরই কড়া ভাষায় যোগ করেন— “হুলিগানিজম, সন্ত্রাস বা উগ্রতা কখনও বিপ্লব নয়।” তিনি বলেন, গণভবন তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, সরকারি সম্পত্তি— তবুও সেখানে হামলা হয়েছে ঘৃণা ছড়ানোর জন্য।

ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে হাসিনা দাবি করেন, তাঁর সরকার আন্দোলনকারীদের সব দাবি মেনে নিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ অতিরিক্ত দাবি আসতে থাকে, যা তাঁর মতে দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ নিয়েও তিনি বলেন— “হত্যার দায় আওয়ামী লীগের ওপর চাপালেও, আসল অপরাধ করেছে ইউনুস ও তার শক্তি।”

আরও পড়ুনঃ ‘আমার মা ভারতে সুরক্ষিত’, বুঝিয়ে দিলেন হাসিনার ছেলে

সম্ভাব্য মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাবনার মধ্যেও হাসিনা এদিন বলেন,“ঈশ্বর জীবন দিয়েছেন। একদিন তিনিই তা নেবেন। দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছি, করেই যাব।” এদিকে রায়ের ২৪ ঘণ্টা আগে ঢাকায় বিস্ফোরক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রবিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরপর কাঁচা বোমা ফাটার খবর মিলেছে, পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠেছে। 

২০২৪ সালের অগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। আদালত তাঁকে দেশে ফিরে বিচারপ্রক্রিয়ায় হাজির হতে বললেও তিনি ফেরেননি। এই মামলায় তাঁর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। হাসিনার ছেলে ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ রবিবার বলেন, “রায় কী হবে তা আমরা জানি। তাঁকে দোষী ঘোষণা করা হবে এবং হয়তো মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে… তবে আমার মা নিরাপদ। ভারত তাঁকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিয়েছে।” তিনি আরও জানান, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হলে ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আন্দোলন হিংসাত্মকও হতে পারে।” তিনি সতর্ক করেন— আন্তর্জাতিক মহল হস্তক্ষেপ না করলে দেশে বড় ধরনের সংঘর্ষ হতে পারে। রায়ের আগে ঢাকার পরিবেশ অগ্নিগর্ভ। একদিকে আদালতের সিদ্ধান্ত, অন্যদিকে হাসিনা-সমর্থকদের হুঁশিয়ারি— সব মিলিয়ে দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আজকের রায়ই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে হাসিনার ভবিষ্যৎ পথ কোনদিকে মোড় নেবে।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন