spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গKali Puja 2025: আজ অগ্রহায়ণের অমাবস্যা, যা মার্গশীর্ষ অমাবস্যা নামেও পরিচিত, মায়ের...

Kali Puja 2025: আজ অগ্রহায়ণের অমাবস্যা, যা মার্গশীর্ষ অমাবস্যা নামেও পরিচিত, মায়ের পুজোর দিন

মায়ের চকচকে মুখশ্রী দেখলে সব কষ্ট দূর হয়ে যায়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

দেখতে দেখতে কার্তিক অমাবস্যা থেকে চলে এল মার্গশীর্ষ অমাবস্যা। গোটা বছরে এই নানা অমাবস্যায় মায়ের পুজো হয় বিভিন্ন জায়গায়। কখনো রক্ষাকালী, কখনো দক্ষিণাকালী, কখনো বামা, কখনো শ্মশানকালী – মায়ের তো রূপের শেষ নেই!

আমতার খড়িয়প গ্রাম, সেখানে আজ মা আসবেন, যেমন করে আসছেন বিগত প্রায় দুশো বছরের ওপর।

আরও পড়ুনঃ ভারতের জেমস বন্ড; পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ঘোষনার আগেই হঠাৎ সক্রিয় কেনও অজিত ডোভাল?

অগ্রহায়ণ অমাবস্যা উপলক্ষে খড়িয়প শ্মশান কালীর আরাধনা হয়।‌ বসে বিরাট মেলাও, মা থাকবে মোটে দুইদিন, মেলা চলবে দিন সাতেক প্রায়।

প্রায় দুশো বছর আগে এইখানে এক জমিদার পরিবারের সদস্য বৈদ্যনাথ বসু স্বপ্নাদেশে মায়ের রূপ দেখতে পান ও পুজো করেন যা ছিল তখন গ্রামে মহামারী রুখতে প্রয়াস।

সেই জমিদার বাড়ির পুজো এখন গ্রামবাসীর কমিটির দ্বারা পরিচালিত। আজ শুধু খড়িয়প নয়, বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ ছুটে আসছেন মায়ের কাছে। কোভিডকালেও বন্ধ হয়নি এই জনসমাগম।

মা এখানে গাঢ় নীল রঙের, বাম পা বাবার বুকে, বাবা এখানে পূর্ণ উলঙ্গ, সে মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে মায়ের দিকে। এখানে কিন্তু মা জিভ বের করে নেই, বদলে দেখা যাচ্ছে দাঁতের সারি। শ্মশানকালীর মূর্তি তত্ত্বে মা জিভ বের করে থাকেন না সাধারণত, তিনি মদ্য-মাংস ভক্ষণ করে চলছেন সর্বদা। মায়ের দুই হাতের ডান হাতে মুণ্ড, বাম হাতে কারণ পাত্র। সাথে আছে ডাকিনী যোগিনী। ঝলমলে সাজে মা অপরূপ সুন্দর! আহা! মা যে আমার জগৎ সুন্দরী!

আরও পড়ুনঃ  “পৃথিবীর গাড়ি তা থামাও”; সময়ের তুলনায় ১০০ বছর এগিয়ে

আজকে লোকজন সমাগমে এ এক মিলনক্ষেত্র। মেলার মাধ্যমে পরিশ্রমী মানুষ খুশির মুখ দেখে। আর আমরা সাধারণ মানুষ এই হালকা শীতে মেলা তো উপভোগ করেই থাকি।

মায়ের আজ পুজো, আগামীকাল বিসর্জন। সেই দুর্গাদশমীতে মায়ের কাঠামো পূজা হয়েছে, রাস পূর্ণিমা থেকে মাকে আস্তে আস্তে তৈরি করা শুরু। আজ মায়ের পূর্ণ প্রকাশ।

তবে প্রচুর ভিড়, বেশিরভাগ যানবাহন প্রায় এক কিলোমিটার আগে নামিয়ে দেবে এমনটাই শুনেছি সত্যি জানিনা। কিন্তু মায়ের চকচকে মুখশ্রী দেখলে সব কষ্ট দূর হয়ে যায়।

আজ মায়ের আরাধনা। জ্যোতিষীদের মত বড় বড় টোটকা বলবো না, বলবো না এই কাগজে ঐ লিখে মানিব্যাগে রাখুন। শুধু বলবো মন ভরে মাকে স্মরণ করবেন।

আর জোর করে সবাইকে করতে বলছিনা, যারা এখনো ভাবেন রাতের অন্ধকার সরিয়ে আলোটা আসে আর আলোটা নিভে অন্ধকার আসে ঐ মায়ের ইচ্ছাতেই, তাদের জন্যেই বলা। উনি ছাড়া কোনো গতি নাই যে!

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন