spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজDhaka: চমক! ঢাকার সেনাকুঞ্জ-এ; সবার চোখ এড়িয়ে মুখোমুখি বৈঠকে ইউনুস–খালেদা

Dhaka: চমক! ঢাকার সেনাকুঞ্জ-এ; সবার চোখ এড়িয়ে মুখোমুখি বৈঠকে ইউনুস–খালেদা

এমন সাক্ষাৎ কূটনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মত বিশ্লেষকদের একাংশের।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ঢাকার সেনাকুঞ্জ। সশস্ত্র বাহিনী দিবসের জমকালো আয়োজনে উপস্থিত দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক নেতারা। কিন্তু বহু ক্যামেরা ও আলোকবৃত্তের মধ্যেও ঘটে গেল এক নিঃশব্দ রাজনৈতিক ঘটনা—মুখোমুখি বৈঠকে বসলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মহম্মদ ইউনুস ও বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের ফাঁকে একান্তে আলাপ হয় দু’জনের।

আরও পড়ুনঃ ‘জয়বাংলার দিন শেষ, এবার শুধুই আল্লাহু আকবর!’ বাংলাদেশের রাজপথে সরব মৌলবাদীরা

প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস প্রথমেই খোঁজ নেন অসুস্থ খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন খালেদা, হাসপাতাল ও গৃহ-চিকিৎসার মধ্যেই কাটছে তাঁর সময়।

খালেদার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন ড. ইউনুস। কৃতজ্ঞতা জানিয়ে খালেদাও খোঁজ নেন প্রধান উপদেষ্টার স্ত্রী আফরোজি ইউনুসের শারীরিক অবস্থার এবং তাঁর সুস্থতা কামনা করেন।

সূত্রের খবর, সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার ছোট পুত্র প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী — সাইদা শারমিলা রহমান। তবে বৈঠকটি পুরো সময়েই আনুষ্ঠানিক মিডিয়া কাভারেজের বাইরে রাখা হয়, যা রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বাড়িয়েছে

আরও পড়ুনঃ “হাম শহীদ হোন সে বাচ গায়ে!” সাংবাদিকের লজ্জাহীনতা, হাসি-ঠাট্টা; তেজস দুর্ঘটনায় ট্রোলিংয়ের ঝড় পাকিস্তানী সংবাদ মাধ্যমে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমন সংবেদনশীল সময়ে দুই শীর্ষ রাজনীতিকের হঠাৎ সৌজন্য বৈঠকের মাধ্যমে সুপ্ত বার্তা বহন করছে দেশের রাজনৈতিক অন্দরে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার মাঝেই বিরোধী শিবিরের প্রধান নেত্রীর সঙ্গে এমন সাক্ষাৎ কূটনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মত বিশ্লেষকদের একাংশের।

তবে সরকারি মহল কিংবা বিএনপি—কোনও পক্ষই বৈঠক সংক্রান্ত রাজনৈতিক বার্তা বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ফলে জল্পনা আরও ঘনীভূত হচ্ছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে, শুধু সৌজন্য? নাকি সামনে আরও বড় কোনও আলোচনার পূর্বাভাস?

সেনাকুঞ্জের এই নীরব বৈঠকই এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আবহে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন