spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজRussia: ‘...যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’, ইউরোপকে হুমকি পুতিনের

Russia: ‘…যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’, ইউরোপকে হুমকি পুতিনের

ইউরোপের দেশগুলির উপরে বেজায় চটলেন পুতিন। মঙ্গলবার রীতিমতো হুমকির সুরে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, মস্কো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত মেটানোর চেষ্টা করছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। এর মধ্যেই ইউরোপের দেশগুলির উপরে বেজায় চটলেন পুতিন। মঙ্গলবার রীতিমতো হুমকির সুরে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, মস্কো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।

আরও পড়ুনঃ দাঁড়ি পড়বে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে? কাল বৃহস্পতিবার ভারতে আসছেন ভারতবন্ধু পুতিন

কয়েক দিন আগে আমেরিকার খসড়া শান্তি চুক্তি ফাঁস হয়ে যায়। তার পরেই তোলপাড় পড়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে। চুক্তিতে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত মেটাতে ২৮টি শর্ত বা প্রস্তাব রয়েছে। অধিকাংশই রাশিয়ার পক্ষে। কিন্তু ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ তা মানতে নারাজ। তারা ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের পক্ষে সওয়াল করে জানিয়ে দিয়েছে, মস্কোকে বেশি ছাড় দেওয়া উচিত নয়, তা হলে পুতিনের আগ্রাসন আরও বাড়তে পারে। এর পরেই ইউরোপের উদ্দেশে তোপ দাগেন পুতিন।

মঙ্গলবার মার্কিন দূতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের। তবে বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টা (রাশিয়ার সময় অনুযায়ী) বেজে গেলেও সেই বৈঠক এখনও শুরু হয়নি। এর মধ্যেই পুতিন বলেন, ‘আমরা ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ চাই না। কিন্তু ইউরোপ যদি যুদ্ধ চায়, রাশিয়া এখনই প্রস্তুত।’ তাঁর দাবি, ইউরোপ শান্তি চায় না। শুধু তাই নয়, শান্তি প্রক্রিয়ার চেষ্টাতেও বাধা দিচ্ছে তারা।

ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের বিশাল ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছে রাশিয়া। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের আশঙ্কা, এর ফলে মস্কো ইউরোপের পূর্বদিকের দেশগুলিতে খুব সহজেই এবং যে কোনও সময়ে পৌঁছে যেতে পারে। হামলা চালানোও সহজ হয়ে গিয়েছে। তাই রাশিয়াকে ঠেকাতে ইউক্রেনকে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা দিতে হবে। এতেই আপত্তি পুতিনের। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বাস্তব পরিস্থিতি মানতে হবে। ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, ইউক্রেনের যে অংশ রাশিয়া দখল করে নিয়েছে, তা আর ফেরত দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুনঃ স্টেডিয়ামে উপচে পড়ছে ভিড়, চিৎকার করছে সবাই যেন কোনও উৎসব চলছে! স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব

উল্লেখ্য, পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে মিয়ামিতে ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি রাসতেম উমেরভের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। সেখানেও খসড়া শান্তি প্রস্তাব নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ইউক্রেন এই প্রস্তাবে রাজি নয়। তারা এই প্রস্তাবকে ‘বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, রাশিয়ার এই গায়ের জোরে সীমান্ত পরিবর্তনের চেষ্টাকে স্বীকৃতি দিলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদ হতে পারে।

গত অগস্টে পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ট্রাম্প। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত থামানো নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি। রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লেভেরভ স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘সংঘাতের আসল কারণগুলোর সমাধান চাই। এটা ছাড়া সংঘর্ষবিরতি করে কোনও লাভ হবে না।’ অক্টোবরে হাঙ্গেরিতে ফের তাঁদের বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা ভেস্তে যায়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন