spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজTarek Zia: বেলা বারোটা ফিরছেন তারেক; বিএনপি কি ভারতপন্থী হচ্ছে? খালেদা পুত্রের...

Tarek Zia: বেলা বারোটা ফিরছেন তারেক; বিএনপি কি ভারতপন্থী হচ্ছে? খালেদা পুত্রের ভাষণে বড় খবরের অপেক্ষা

নেতৃত্ব ঘোষণা করেছে তারেক জিয়ার বিমান ঢাকার মাটি স্পর্শ করা মাত্র বাংলাদেশে জনকম্পন হবে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিএনপি’র কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক জিয়া বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে ফিরছেন। সেই সঙ্গে অবসান হতে চলেছে ১৭ বছর তার লন্ডনে নির্বাসিত জীবনের। দেশের বিমান ধরতে তিনি লন্ডনের বিমানবন্দরে বুধবার রাতেই পৌঁছে গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা বারোটা নাগাদ তার বিমান ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা। ‌

আরও পড়ুনঃ বিশ্বশান্তির বার্তা বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী মমতার; নিজের লেখা গানে বড়দিনের শুভেচ্ছা

বিএনপি নেতৃত্ব ঘোষণা করেছে তারেক জিয়ার বিমান ঢাকার মাটি স্পর্শ করা মাত্র বাংলাদেশে জনকম্পন হবে। শুধু রাজধানী ঢাকাই নয় গোটা দেশে তাকে যা স্বাগত জানিয়ে মিটিং মিছিল করবেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। ‌

কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে তারেক জিয়ার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে। আগামীকাল কতিপয় বিএনপি নেতা সরাসরি বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানানোর সুযোগ পাবেন।‌

বিমানবন্দর থেকে তিনি জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে তথা ৩০০ ফিট রাস্তা ধরে সংবর্ধনাস্থলে যাবেন। সেখান থেকে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ভাষণ শেষে তিনি ঢাকার এবার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসার ও তো মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন।‌সেখান থেকে গুলশান–২ নম্বরে তাঁর জন্য বরাদ্দ বাসভবনে পৌঁছাবেন।

দিন কয়েক আগে প্রথমে বিএনপি পরের তারেক জিয়া স্বয়ং জানিয়েছিলেন তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন হবে বড়দিনের দিন। ‌বাংলাদেশে বড়দিন খুবই বড় আকারে পালিত হয়ে আসছে। এই দিন গোটা দেশে ছুটি থাকে। ‌মনে করা হচ্ছে তারেকের এই দিনটিকে প্রত্যাবর্তনের জন্য বেছে নেওয়ার পেছনে সেটি একটি কারণ।

আরও পড়ুনঃ বড়দিনেই হাসি ফুটবে পর্যটকদের মুখে! গ্লেনারিস খোলার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের

তবে নানামহলে তুমুল কৌতূহল আগামীকাল ১৭ বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি কী বলেন।‌ বিশেষ করে তাঁর ভাষণে ভারত বিরোধীতা সুর কতটা চড়া থাকে সেদিকে সকলের নজর থাকবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে চর্চা চলছে নয়া দিল্লির বিশেষ অনুমোদন এবং অনুমতি সাপেক্ষে তারেক দেশে ফিরছেন। ভারত সরকার তার প্রত্যাবর্তনকে কীভাবে নেবে এ নিয়ে স্বয়ং তারেক জিয়া এবং তার দল বিএনপি সংশয় ছিল। ‌ সম্প্রতি সেই সংশয় দূর হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের খবর। ‌

লক্ষণীয় হল, বিগত কয়েক মাস তারেক জিয়া এবং বিএনপি ভারত বিরোধী সুর নরম করেছে। বলতে গেলে  এই দলের নেতাদের ভাষণে ভারত প্রসঙ্গ কমই আসছে। পাশাপাশি বিএনপি নেতারা ভাষণে মুক্তিযুদ্ধ‌ নিয়ে অনেক বেশি আলোচনা করছেন। অতীতে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারে মুক্তিযুদ্ধকে এত আন্তরিকভাবে তুলে ধরা নজির নেই। মনে করা হচ্ছে এক ঢিলে দুই পাখি মারতেই বিএনপি নেতৃত্ব এই কৌশল নিয়েছেন। তারা একদিকে আওয়ামী লিগের সাধারণ নেতা কর্মীদের বার্তা দিচ্ছেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে-ইসলামিকে ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন করার জন্য। ‌ অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক বেশি ইতিবাচক কথা বলে ভারতকেও তারা খুশি করার চেষ্টা করছে। ‌ কারণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অংশীদার ভারতও।‌‌

সভাপতি বৃহস্পতিবার তারেক জিয়া দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তাঁর ভাষণে অতীতের মতো তীব্র ভারত বিরোধিতা বজায় রাখেন কিনা সেদিকে কৌতূহলী মানুষের নজর থাকবে। ইউনুস সরকার সম্পর্কেও তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আগামীকাল তিনি আরো স্পষ্ট করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেক প্রধানমন্ত্রী হবেন এ নিয়ে এখন আর কোন সংশয় নেই। ‌যদিও আসল সংশয় হল, নির্বাচন হবে কিনা এবং বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় হাসিল করতে পারবে কিনা।‌

আওয়ামী লিগ এবং শেখ হাসিনা সম্পর্কেও তারেকের বৃহস্পতিবারের ভাষণ থেকে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ‌পাশাপাশি মানুষের কৌতূহল রয়েছে বিএনপি’র এই নেতা দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে জামায়াতে ইসলামিসহ ইসলামিক দলগুলি সম্পর্কে কি বলেন।‌ জামায়াতে ইসলামি একদা বিএনপির জোট শরিক ছিল। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় জামাত শরিক ছিল‌। এখন তাদের সাপে-নেউলে সম্পর্ক। তারপরও কৌতূহল রয়েছে নির্বাচনের পর বিএনপিকে পূর্ব ঘোষণা মতো সব দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবে?

শুক্রবার তারেক জিয়ার অনেকগুলি কর্মসূচি আছে। ‌প্রথমে তিনি ঢাকায় তার পিতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের কবর জিরায়ত বা কবরে প্রার্থনা করবেন। তারপর যাবেন ওসমান হাদির কবরস্থানে। সেখানে কবর জিয়ারতের পর তারেক জিয়া যাবেন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে। ‌

পরশু অর্থাৎ শনিবার তিনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে গিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি এরপর ভোটার হওয়ার নথিপত্রে সই সাবুদ করবেন। এরপর আস্তে আস্তে তিনি নির্বাচনী প্রচারে বেরোতে শুরু করবেন। তারেকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরগুলিতে বিএনপি অসংখ্য তোরণ তৈরি করেছে।‌ অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপি’র এই কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যানের জন্য একটি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করেছে। ‌তারা সর্বক্ষণ তারেক জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিএনপি চাইছে তাদের দলের তরফে বেসরকারি নিরাপত্তা এজেন্সির রক্ষীদের তারেক জিয়ার নিরাপত্তায় নিয়োজিত করতে। ‌

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন