আজ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে শীত ও কুয়াশার দাপট ক্রমশ বেড়েই চলেছে। রাজ্যের সর্বত্রই সকালের দিকে ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে, সঙ্গে কুয়াশার প্রকোপ বহু জেলায় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুনঃ শোকের ছায়া টলি ইন্ডাস্ট্রিতে; প্রয়াত হলেন ক্যান্সারে আক্রান্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক
দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে বাঁকুড়ায় — মাত্র ৯.০°C। উত্তরবঙ্গের সমতল এলাকায় আলিপুরদুয়ারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.০°C। তবে শীতের প্রকৃত তীব্রতা অনুভূত হয়েছে পার্বত্য উত্তরবঙ্গে—দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে মাত্র ৩.৮°C-এ, যা শীতের কাঁপুনি স্পষ্ট করে দিচ্ছে।
রাজধানী কলকাতায় (আলিপুর) আজ সকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩.৫°C, যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ০.৩°C কম। অর্থাৎ শহরেও শীত ধীরে ধীরে নিজের দখল শক্ত করছে।
আগামী দুই থেকে তিন দিন গোটা রাজ্যের তাপমাত্রা বর্তমানের মতোই থাকবে তবে বর্ষ শেষে উত্তর-পশ্চিম ভারতে একটি নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে পশ্চিমবঙ্গে সাময়িক এক থেকে দুই দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অর্থাৎ রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে।
মেঘলা কুয়াশার পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ঘন কুয়াশা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে মাত্র ৫০–২০০ মিটার পর্যন্ত। এছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও মালদা জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা ছেয়ে রয়েছে, যেখানে দৃশ্যমানতা ছিল ২০০–১০০০ মিটার-এর মধ্যে।
আরও পড়ুনঃ ময়মনসিংহে রেললাইন উপড়ে ফেলল দুষ্কৃতীরা! লাইনচ্যুত ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস
আগামী দুই থেকে তিন দিন গোটা রাজ্যে এইরকম কুয়াশার প্রভাব থাকবে । কুয়াশার চাদর পুরু থাকার কারণে রাজ্যের কোন কোন অংশে সূর্যের দেখা নাও পাওয়া যেতে পারে, বেলা বাড়ালে দু এক জেলায় বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের অল্প কিছু স্থানে সূর্যের মুখ দেখা যেতে পারে।
ভোর ও সকালের সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বিশেষ করে হাইওয়ে, এক্সপ্রেসওয়ে ও গ্রামীণ রাস্তায় চলাচলের সময় অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন। অপ্রয়োজনীয় দ্রুত গতি এড়িয়ে চলুন এবং ফগ লাইট ব্যবহার করুন।









