নতুন বছর শুরু হয়েছে। বুধবার বর্ষবরণ করেছে আপামর বঙ্গবাসী থেকে দেশবাসী সকলে। দেদার ফেটেছে বাজি। রাত বারোটা বাজতেই বাজি ফাটিয়ে মেতে উঠছে সকলে। দিল্লির সঙ্গে দূষণে টেক্কা দিচ্ছে কলকাতা।
আরও পড়ুনঃ “হল্লা বোল”; ‘সফদর মারা গেছে, কিন্তু ধমনীতে সে বেঁচে’-‘ট্রিবিউট টু হাসমি’
জানা যাচ্ছে, আজ নতুন বছরের বাতাসে ঢুকছে প্রচুর বিষ। বর্ষবরণে বেলাগাম বাজি ফাটানোর ফল। দিল্লির মতোই মাত্রাছাড়া বায়ুদূষণ কলকাতা-হাওড়ায়। নতুন বছরে তিলোত্তমার বাতাস অত্যন্ত খারাপ। কলকাতায় মধ্যে সবচেয়ে দূষিত যাদবপুরের বাতাস। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ বলছে, যাদবপুরে প্রতি ঘনমিটারে ৩৮০ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা
কলকাতার চেয়েও বেশি দূষণ হাওড়ায়। ঘুসুড়িতে প্রতি ঘনমিটারে ৪২৭ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা। বেলুড় মঠে প্রতি ঘনমিটারে ৩৯০ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা।
আরও পড়ুনঃ ‘তোমাদের চৈতন্য হউক’; কেন নতুন বছরের প্রথম দিনেই পালিত হয় কল্পতরু উৎসব?
ঘুসুড়ি, হাওড়া ৪২৭ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা বেলুড় মঠ ৩৯০ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা যাদবপুর ৩৮০ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা ভিক্টোরিয়া ৩৬৫ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা বালিগঞ্জ ৩৬১ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা বিধাননগর ৩৫৩ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা রবীন্দ্র সরোবর ৩৪৩ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা ব্যারাকপুর ৩৩৪ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা ফোর্ট উইলিয়াম ৩২১ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা রবীন্দ্রভারতী ৩১০ মাইক্রোগ্রাম অতি সূক্ষ ধূলিকণা
সহনসীমা: ৫০-১০০ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার










