দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা:
“SIR এর পরেও যত শক্তি আছে বিজেপি প্রয়োগ করুক। আমি বলেছি তৃণমূলের আসন বাড়বেই। ২০০৮ সালে পরিবর্তনের প্রথম চাকা দক্ষিণ ২৪ পরগনা ঘুরিয়েছিল। এবার ভাঙড় জিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩১ এ ৩১ করতে হবে।” বারুইপুরে রণসংকল্প সভা থেকে এ ভাষাতেই গর্জে উঠলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড়সড় আলোড়ন! ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে গোপন বৈঠকের খবর ফাঁস জামাত নেতার
এসআইআর নিয়ে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তুলোধনা করলেন বিজেপির। এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখার আগে ব্রিগেডের কায়দায় র্যাম্পে হাঁটতে দেখা যায় অভিষেককে। মঞ্চের চারপাশে তখন সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। কিন্তু চমকের তখনও বাকি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই র্যাম্পে এলেন দুই ভদ্রলোক, এক ভদ্রমহিলা।
ভাষণের মাঝপথেই ব়্যাম্পের দিকে ইঙ্গিত করে অভিষেকের বক্তব্য, “অনেকে ভাবছেন, এই ব়্যাম্পটা কেন করা হয়েছে। আজ এই ব়্যাম্পে আমি তিন জন ‘ভূত’কে হাঁটাব। কমিশন যাঁদের মৃত বলেছে, তাঁরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ।

আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়ি হাকিমপাড়া বিদ্যালয়ে স্কুল ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে অভিভাবকদের বিক্ষোভ
একজন মণিরুল ইসলাম মোল্লা, হরেকৃষ্ণ গিরি, মায়া দাস। এদের সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের তুলোধনা করতে দেখা যায় অভিষেককে। তিনজনকে নিয়েই র্যাম্পে হাঁটতে হাঁটতে বলেন, “এই দু’জন ভদ্রলোকের বাড়ি মেটিয়াব্রুজে। আর ভদ্রমহিলার বাড়ি কাকদ্বীপ বিধানসভায়। মঞ্চে তো আপনারা আমাকে নিয়ে চারজনকে দেখছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এদের দেখতে পারছে না। মৃত ঘোষণা করে দিয়েছে। শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ২৪ জন রয়েছে, যাঁরা জীবন্ত কিন্তু দেখিয়ে দিয়েছে মৃত হিসাবে। আপনারা কোনওদিন মৃত ব্যক্তিদের র্যাম্পে হাঁটতে দেখেছেন? এই জন্য আমি র্যাম্প বানিয়েছি।”
এরপরই মুখ্য নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। সুর চড়িয়ে বলেন, “আমরা যতদিন আছি ততদিন একটা মানুষের মৌলিক অধিকার আমরা যেতে দেব না। বিজেপির দালালরা তৈরি থাকো। ভ্যানিশ কুমার তৈরি থাকো। তৃণমূল দিল্লিতে যাব। আজকে যা রাস্তায়, মাঠে যা লোক হয়েছে তার এক তৃতীয়াংশ যদি দিল্লিতে যায় তাহলে জ্ঞানেশ কুমার, অমিত শাহ বানের জলে ভেসে যাবে।”









