spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গGangasagar Mela 2026: ❝ সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর এক বার..!❞ গঙ্গাসাগরে মকরস্নানের...

Gangasagar Mela 2026: ❝ সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর এক বার..!❞ গঙ্গাসাগরে মকরস্নানের সমাগম কপিল মুনির আশ্রম ঘিরেই, কে এই কপিলমুনি…?

সাগর স্নানের সঙ্গে জড়িয়ে এই কপিল মুনির আশ্রম। কে এই কপিল মুনি?

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

প্রত্যেক বারের মতো এবারেও সেজে উঠেছে গঙ্গাসাগর। পুণ্যস্নান করতে এখন থেকেই জড়ো হয়েছেন শত শত মানুষ। পৌষের শেষে মকর সংক্রান্তিতে এখানে পবিত্র স্নান করা মোক্ষের পথ প্রস্তুত করে বলে ভক্তদের মধ্যে বিশ্বাস।

আরও পড়ুনঃ আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত, সুরের সফর থামল অকালেই; প্রয়াত দার্জিলিংয়ের প্রশান্ত তামাং

বিশ্বাস করা হয়, গঙ্গাসাগর তীর্থযাত্রা শত শত তীর্থের সমান। মকর সংক্রান্তির সঙ্গে জুড়ে থাকা পৌরাণিক কাহিনি পড়লে জানা যায়, এই মকর সংক্রান্তি তিথিতে শিবের জটা থেকে বের হয়ে পৃথিবীতে গঙ্গা নেমে এসেছিল। কপিল মুনির আশ্রমে পৌঁছেছিল।

সাগর স্নানের সঙ্গে জড়িয়ে এই কপিল মুনির আশ্রম। কে এই কপিল মুনি? বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে, সত্যযুগে ভগবান রামচন্দ্রের 13তম পূর্বপুরুষ অযোধের রাজা সাগর নামে এক রাজা বাস করতেন। রাজা সাগর সারা পৃথিবীতে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য অশ্বমেধ যজ্ঞ করেছিলেন। অপ্রতিরোধ্য সগরকে দেখে দেবরাজ ইন্দ্র ভয় পেয়ে যান। তিনি ঘোড়াটি চুরি করে পাতালে গভীর ধ্যানে মগ্ন ঋষি কপিলের কাছে ঘোড়াটি রেখে যান। এদিকে রাজা সাগরের নির্দেশে তাঁর ৬০ হাজার ছেলে ঘোড়া খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে। শেষেমেষ ঘোড়াটিকে ঋষির আশ্রমের কাছে চরতে দেখা যায়। তখন রাজপুত্ররা মুনিকে অপমান করেন। রোষে ঋষি ভস্ম করে দেন সাগর পুত্রদের। একথা শুনে রাজা সাগর ঋষির কাছে গিয়ে তাঁর করুণা ভিক্ষা করলেন। ঋষি, প্রথমে তার আবেদনের প্রতি কান না দিলেও, পরে বলেছিলেন যে রাজকুমারদের ছাই যদি স্বর্গীয় নদী গঙ্গার পবিত্র জল দ্বারা ধুয়ে ফেলা হয় তবে তারা আবার জ্ঞান লাভ করবে। প্রত্যেক বারের মতো এবারেও সেজে উঠেছে গঙ্গাসাগর। পুণ্যস্নান করতে এখন থেকেই জড়ো হয়েছেন শত শত মানুষ। পৌষের শেষে মকর সংক্রান্তিতে এখানে পবিত্র স্নান করা মোক্ষের পথ প্রস্তুত করে বলে ভক্তদের মধ্যে বিশ্বাস।

 বিশ্বাস করা হয়, গঙ্গাসাগর তীর্থযাত্রা শত শত তীর্থের সমান। মকর সংক্রান্তির সঙ্গে জুড়ে থাকা পৌরাণিক কাহিনি পড়লে জানা যায়, এই মকর সংক্রান্তি তিথিতে শিবের জটা থেকে বের হয়ে পৃথিবীতে গঙ্গা নেমে এসেছিল। কপিল মুনির আশ্রমে পৌঁছেছিল।

সাগর স্নানের সঙ্গে জড়িয়ে এই কপিল মুনির আশ্রম। কে এই কপিল মুনি? বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে, সত্যযুগে ভগবান রামচন্দ্রের ১৩ তম পূর্বপুরুষ অযোধের রাজা সাগর নামে এক রাজা বাস করতেন। রাজা সাগর সারা পৃথিবীতে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য অশ্বমেধ যজ্ঞ করেছিলেন। অপ্রতিরোধ্য সগরকে দেখে দেবরাজ ইন্দ্র ভয় পেয়ে যান। তিনি ঘোড়াটি চুরি করে পাতালে গভীর ধ্যানে মগ্ন ঋষি কপিলের কাছে ঘোড়াটি রেখে যান। এদিকে রাজা সাগরের নির্দেশে তাঁর ৬০ হাজার ছেলে ঘোড়া খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে। শেষেমেষ ঘোড়াটিকে ঋষির আশ্রমের কাছে চরতে দেখা যায়। তখন রাজপুত্ররা মুনিকে অপমান করেন। রোষে ঋষি ভস্ম করে দেন সাগর পুত্রদের। একথা শুনে রাজা সাগর ঋষির কাছে গিয়ে তাঁর করুণা ভিক্ষা করলেন। ঋষি, প্রথমে তার আবেদনের প্রতি কান না দিলেও, পরে বলেছিলেন যে রাজকুমারদের ছাই যদি স্বর্গীয় নদী গঙ্গার পবিত্র জল দ্বারা ধুয়ে ফেলা হয় তবে তারা আবার জ্ঞান লাভ করবে।

দুই প্রজন্ম ধরে, স্বর্গ থেকে গঙ্গাকে পৃথিবীতে নামিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু সমস্ত প্রচেষ্টা নিষ্ফল প্রমাণিত হয়েছিল। কয়েক প্রজন্ম পরে, সাগর রাজার এক বংশধর রাজা ভগীরথ পাতাল থেকে তার পূর্বপুরুষদের আত্মাকে মুক্ত করতে সচেষ্ট হন।

আরও পড়ুনঃ আগামী বছরই টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান? উত্তেজনার পারদ চড়ালেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিক

তিনি দেবী গঙ্গার তপস্যা করেন। তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে ব্রহ্মা বর দেন সগরকে। প্রজাপতির বরে স্বর্গের গঙ্গা নেমে আসে পৃথিবীতে। স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নামার সময় প্রবল ধাক্কা দেয় গঙ্গা। আর সঙ্গে সঙ্গে কেঁপে ওঠে বিশ্ব। তখন গঙ্গাকে জটায় ধারণ করেন শিব। তারপর আবার শিবকে আরাধনা করে গঙ্গাকে মুক্ত করেন ভগীরথ। ধীর গতিতে বইতে শুরু করে গঙ্গা। শেষ পর্যন্ত শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে পথ দেখিয়ে গঙ্গাসাগরে নিয়ে আসেন ভগীরথ। শেষপর্যন্ত গঙ্গার পুণ্যসলিলের স্পর্শে বেঁচে ওঠেন সাগর রাজার ষাট হাজার পুত্র…

বৈদিক শাস্ত্র অনুসারে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চিরন্তন ভাই বলরামও গঙ্গাসাগরে গিয়েছিলেন। গৌরলীলায় ভগবান নিত্যানন্দও এই স্থানে গিয়েছিলেন। শ্রীমদ্ভাগবত অনুসারে, ভগবান কপিলা নাকি এখনও শ্রবণ করেন।

তাই তারপর থেকে, গঙ্গাসাগরে ঋষি কপিলার আশ্রমের কাছে গঙ্গা এবং সমুদ্রের সংযোগস্থল পবিত্র তীর্থস্থানে পরিনত হয়, বিশেষত মকর সংক্রান্তির সময়। আত্মাকে পবিত্র এবং সমস্ত পার্থিব পাপ থেকে মুক্ত করে তোলার জন্য বহু পূর্নার্থী এখানে একত্রিত হন…

সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর এক বার..

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন