spot_img
Saturday, 7 February, 2026
7 February
spot_img
HomeকলকাতাCPI(M): শরিক দলের আপত্তি সত্ত্বেও বাংলায় ফের "হাতের" হাত ধরতে চায় সিপিএম

CPI(M): শরিক দলের আপত্তি সত্ত্বেও বাংলায় ফের “হাতের” হাত ধরতে চায় সিপিএম

কেরলের রাজধানী তিরুবনন্তপুরমে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। ‌

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা, তর্ক বিতর্কের পর শেষ পর্যন্ত বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে বোঝাপড়া করেই বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করতে চাইছে রাজ্য সিপিএম। ‌ কেরলের রাজধানী তিরুবনন্তপুরমে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। ‌

আরও পড়ুনঃ আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন! ঘরে ঘরে বই-খাতা সাজানোর প্রস্তুতি, সরস্বতী পুজোর আগে আজ সবজির দামের হালচাল

এখন দেখার কংগ্রেস শেষ পর্যন্ত বাম দলটির আহ্বানে সাড়া দেয় কিনা।‌ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বেশ কিছুদিন ধরেই একলা চলার কথা বলে আসছেন। যদিও জোটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।

তিরুবনন্তপুরমের সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির তিন দিনের বৈঠকে বাংলায় নির্বাচনী বোঝাপড়া নিয়ে দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা হয়। এক পর্যায়ে নেতাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়েছে বলে খবর। সিপিএমের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি বাংলার নেতাদেরও একাংশ কংগ্রেসের হাত ধরার পক্ষপাতী নন।‌ তাদের বক্তব্য, ২০১৬ এবং ২০২১ এর বিধানসভা ভোট আর ২০১৯ ও ২০২৪ এর লোকসভা ভোটে হাত-শিবিরের সঙ্গে জোট করে বামেদের কোন লাভ হয়নি। ‌

প্রসঙ্গত ২০১৬ তে বাম কংগ্রেস বোঝাপড়া করে বিধানসভায় নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল। যদিও বামেদের তুলনায় কংগ্রেসের প্রাপ্ত আসন ছিল দ্বিগুণের কাছাকাছি। ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে বামেরা একটি আসনও পায়নি বাংলায়। শরিক কংগ্রেস দুটি আসনে জয়লাভ করে। তিন বছরের মাথায় বিধানসভা ভোটে বাম এবং কংগ্রেস একটি আসনও দখল করতে পারেনি। ২০২৪ এর লোকসভা ভোটে বামেদের ঝুলি শূন্যই থাকে। একটি মাত্র আসনে জয় নিশ্চিত করতে পারে কংগ্রেস। ‌

আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা! মুখোমুখি সংঘর্ষ দুই ট্রেনের

সেই থেকে বাম কংগ্রেস বোঝাপড়া নিয়ে আলোচনা অব্যাহত। ‌ আগের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বামেদের সঙ্গে জোট করার ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন। বস্তুত তাঁর ইচ্ছাতেই সিলমোহর দিয়েছিল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।‌ বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের অভিমত ভিন্ন। ‌ তিনি দলের অভ্যন্তরে বলেছেন বামেদের সঙ্গে জোট করে কংগ্রেসের ভোট ফেরানো সম্ভব নয়। তার বক্তব্য তৃণমূলের একাংশ দলের প্রতি বিতশ্রদ্ধ হয়ে শিবির বদলে আগ্রহী। কিন্তু কংগ্রেস বামেদের সঙ্গে থাকলে তারা‌ হাত শিবিরকে সমর্থন করতে নারাজ।‌ কংগ্রেস নেতৃত্ব মনে করছে দলের ভোট ব্যাংকের বেশিরভাগটাই রয়েছে তৃণমূলের ঝুলিতে। সেই ভোট ফেরাতে হলে বামেদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে হবে।

অন্যদিকে, বাম দলগুলি মনে করছে, বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে বাম কংগ্রেসের বোঝাপড়া করা ছাড়া কোনও বিকল্প খোলা নেই।‌

তিরুবনন্তপুরমের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আসন সমঝোতায় সিপিএম ভোট পুনরুদ্ধারে বেশি জোর দেবে। এই মুহূর্তে রাজ্যের ২৯৪টি আসনের কোনটিই দখলের সম্ভাবনা কম।‌ তাই চেষ্টা করতে হবে সেই সব আসনে জোরদার লড়াই করা যাতে দলের ভোট বেহাত হয়ে না যায় এবং হাতছাড়া ভোট ফেরানো সম্ভব হয়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন