spot_img
Friday, 6 February, 2026
6 February
spot_img
HomeকলকাতাAsha Workar Protest: 'আশা'-য় নিরাশা! বেগুনি-ঝড় তোলা 'আশা' আন্দোলনের ক্ষীর কার পেটে...

Asha Workar Protest: ‘আশা’-য় নিরাশা! বেগুনি-ঝড় তোলা ‘আশা’ আন্দোলনের ক্ষীর কার পেটে যাবে?

এসইউসিআই তৃণমূলের প্রাক্তন জোটসঙ্গী। পরে তৃণমূলি-ছোঁয়াচ মুছতে নামের শেষে 'কমিউনিস্ট' জুড়লেও, ছোঁয়াচ পুরোপুরি এড়াতে পারেনি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বেগুনি-ঝড় তোলা ‘আশা‘ আন্দোলনের ক্ষীর কার পেটে যাবে?

বিজেপি? কোনও চান্স নেই। আন্দোলনের জুতোয় পা গলানোর আগেই লকেটদের ভাগিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এসইউসিআই(সি)? আন্দোলনের আয়োজক হতে পারে, ওইটুকুই। দলটা যে ধাঁচের রাজনীতি করে, তা থেকে আজকালকার রাজনীতিতে পাওয়ার কিছু নেই

আরও পড়ুনঃ জারি হয়ে গেল নির্দেশ; জমায়েত-মিছিল করা যাবে না কলেজ স্ট্রিটে

পড়ে থাকল তৃণমূল। সর্বোপরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পাতে ক্ষীরটা সম্ভবত তিনিই খেতে চলেছেন। ২ ফেব্রুয়ারি বাজেট। যতই ভোট অন অ্যাকাউন্ট হোক, ওই দিনই আশাকর্মীদের ভাতা বাড়িয়ে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। দফতর আলাদা হলেও, ‘আশা’র সঙ্গে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নাম একসঙ্গেই উচ্চারিত হয়। আশা-র সঙ্গে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়তে পারে। কারণ, লাভবান যারা হবেন, সকলেই মহিলা। তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কযতটুকু বোঝা যায় বা যাচ্ছে, মহিলা ভোটব্যাঙ্ককে এতটা অসন্তুষ্ট রেখে ভোটের পথে পা বাড়াবেন না মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক যে কারণে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সম্ভাব্য ভাতা বৃদ্ধি নিয়েও জোর আলোচনা

প্ৰশ্ন তো উঠবেই, তাহলে তৃণমূল সরকার ‘আশা‘দের আন্দোলন আটকাতে পুলিশ লেলিয়ে দিল কেন?

— পুলিশ আটকাল বলেই না আন্দোলন নিয়ে বড় ‘খবর’ হল! ”আশা’দের দাবি মেটানো যে যুক্তিগ্রাহ্য, সেটাই এবার জনতাকে বলতে পারবেন মুখ্যমন্ত্রী। একসঙ্গে দুটো তির মারার সুযোগ। এক, পুরোনো গীত গেয়ে বলবেন, কেন্দ্র প্রাপ্য টাকা দেয় না, তাও ভাতা বাড়িয়ে দিলাম। দুই, আমি ভাতা বাড়াই, কিন্তু কেন্দ্র গত ৬ বছরে এক পয়সা বাড়ায়নি। ‘ত্রাতা’ তিনিই, এটাই দেখাবেন।

আরও পড়ুনঃ চাঞ্চল্য মহেশতলায়! শিশুকন্যাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে

এসইউসিআই তৃণমূলের প্রাক্তন জোটসঙ্গী। পরে তৃণমূলি-ছোঁয়াচ মুছতে নামের শেষে ‘কমিউনিস্ট‘ জুড়লেও, ছোঁয়াচ পুরোপুরি এড়াতে পারেনি। এসইউসিআই(সি)-র শেষ ব্রিগেডের ‘ইভেন্ট সাপোর্টে‘ তৃণমূলই ছিল। ফলে তৃণমূলকে ভবিষ্যতের ডিভিডেন্ড তোলার সুযোগ করে দিতে এসইউসিআই(সি) গতকালের আন্দোলন করেনি, কে বলতে পারে। অথবা এমনও হতে পারে, আশাদের আন্দোলন দেখেই ‘ব্যবহার‘ করার অঙ্ক কষে নিয়েছে তৃণমূল। না হলে, একদিন আগে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কেন বিশদে সাংবাদিক বৈঠক করতে যাবেন!

আর একটা কথা, বেগুনি-ঝড়ের ঠেলায় নিউজ চ্যানেলের স্ক্রিনে জায়গাই পায়নি নওশাদ সিদ্দিকীর সভা। যে সে সভা নয়, শহিদ মিনারের সভা। আইএসএফ যত কম প্রচার পাবে, তত শাসকেরই সুবিধা। এই যে আশাকর্মীরা সারা দিন বলে গেলেন, আমাদের ২১ তারিখে স্বাস্থ্যভবনে সময় দেওয়া হয়েছে, এই দিনটাই কে বাছলেন? বা কে বেছে দিলেন?

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন