spot_img
Saturday, 7 February, 2026
7 February
spot_img
HomeদেশBan on Social Media: কড়া পদক্ষেপ; আর করা যাবে না সোশ্যাল মিডিয়া!

Ban on Social Media: কড়া পদক্ষেপ; আর করা যাবে না সোশ্যাল মিডিয়া!

ইন্টারনেটে সময় কাটানোর সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হচ্ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

গতিময় আধুনিক জীবনে সোশ্যাল মিডিয়া আজকের দিনে আমাদের জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই মোবাইলটা হাতে নিই, আর ঘুমোতে যাওয়ার আগেও শেষবারের মতো ফোনটা দেখি। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ—এই সব প্ল্যাটফর্ম আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। আর এই অভ্যাস যে শুধু বড়দের, ছোটদেন নয়, এমনটা নয়। আর সেখানেই যত বিপদ।

আরও পড়ুনঃ সরস্বতী পূজা পৌরাণিক স্মার্ত পূজা- বৈদিক পূজা নয়! সরস্বতী পূজার দিন কি পড়াশোনা নিষিদ্ধ?

অনেক সময় ভুয়ো খবর খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, আর মানুষ যাচাই না করেই সেগুলো বিশ্বাস করে ফেলে। ছোটদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও তীব্রতর। তা ছাড়া আরও কত শত সমস্যা তো রয়েছে। মানসিক সমস্যা, সামাজিক স্তরের নানাবিধ সমস্যা ক্রমেই বেড়েই চলেছে ছোটদের মধ্যে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার সময় আমাদের সচেতন হওয়া খুব দরকার তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে কড়া পদক্ষেপ অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের।

১৬ বছরের কম বয়সীরা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারবে না। সোজা কথায়, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মতো চন্দ্রবাবুর রাজ্যে নো-নেট সিক্সটিন। ইন্টারনেটে সময় কাটানোর সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে কম বয়সিরা ইন্টারনেটে কী ধরনের কন্টেন্ট দেখছে, কী বিষয়ে সার্চ করছে সেদিকে নজর রাখবে সরকার।

আরও পড়ুনঃ ইতিহাসের পাতা থেকে পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ! টয়ট্রেনে নস্টালজিয়া

এই ফেব্রুয়ারিতেই বাজেট অধিবেশনে এ নিয়ে বিল আনছে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার।

চন্দ্রবাবু নাইডুর ছেলে নারা লোকেশ এখন সে রাজ্যের অন্ধ্রের তথ্য়-প্রযুক্তি মন্ত্রী। তিনি বলছেন, “প্রচুর অভিযোগ এসেছে। আমার দফতর তো বটেই, মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার নেশা স্কুল পড়ুয়াদের জীবনটাই কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। জীবনটাই পাল্টে যাচ্ছে। এটা আর চলতে দেওয়া যায় না। তাই আমরা আইন এনে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের পথে হাঁটছি।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন