প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবেই খ্যাত হয়ে আছে ২৬ জানুয়ারি তারিখটি। তবে এই দিনটি স্বাধীনতা দিবস হতে পারত। অর্থাৎ এই দিনটিকেই ভারতের স্বাধীনতা দিবস বলে ঘোষণা করার একটি সম্ভাবনা ছিল।
এর সূত্র লুকিয়ে আছে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে। ১৯৩০ সালে লাহোরে কংগ্রেসের একটি অধিবেশন আয়োজিত হয়েছিল। সেখানে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা পূর্ণ স্বরাজের দাবি জানিয়েছিলেন।
আরও পড়ুনঃ সরস্বতী ফুটপাথে, পুজো করতে পারল না পড়ুয়া থেকে সাধারণ মানুষ
ওই নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন মহাত্মা গান্ধিজী স্বয়ং। শুধু যে পূর্ণ স্বরাজের দাবি জানানো হয়েছিল ২৬ জানুয়ারি, তা নয়।
ওই দিন স্বাধীনতার শপথ গ্রহণ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দেরা। সেই থেকেই দিনটির আলাদা গুরুত্ব।
তবে ভারতের স্বাধীনতার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশভাগের মর্মান্তিক বেদনা। পাকিস্তান ও ভারতের ভাগ অনেককেই আহত করেছিল। ঘটনাচক্রে ১৪ আগস্ট স্বাধীন হয় পাকিস্তান।
আরও পড়ুনঃ নজিরবিহীন! সরস্বতী পুজার ‘ছুটি’র সন্ধ্যায় জরুরি শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে
ওই দিন মধ্যরাতে তথা ঘড়ির কাঁটায় ১৫ আগস্ট স্বাধীন হয় ভারত। স্বাভাবিকভাবেই ১৫ আগস্টই ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে গৃহীত হয়।
তবে পরবর্তীকালে তারিখটিকে গুরুত্ব পায় অন্যভাবে। সংবিধান প্রণয়ন শেষ হলে ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর সংবিধানকে গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু সেদিন থেকেই সেটি কার্যকর হয়নি।
সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি অর্থাৎ পরের বছর। আর ওই দিনটিকে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সেই থেকেই ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস।









