মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। বিমান অবতরণের সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পাইলটের সঙ্গে এটিসির। তারপরই এই দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্র পুলিশ প্রশাসনের তরফে প্রাথমিকভাবে এই তথ্যই জানানো হয়। বারামতিতে ব্যক্তিগত এবং প্রশাসনিক কাজ ছিল অজিত পাওয়ারের। ছিল সভা। বারামতিতেই ৪টি জনসভা করার কথা ছিল তাঁর। এদিন বিকেলেই ফের ফিরতেন মুম্বই। খবর তাঁর দলের সূত্রে। জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারের জন্যই বারামতিতে যাচ্ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর সভা বলে কথা! ধুলো-মুক্ত রাখতে হবে; সিঙ্গুরে স্প্রিংকলার গাড়ি পাঠাল কলকাতা কর্পোরেশন
ঘটনাস্থলের ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানটি দাউদাউ করে জ্বলছে এবং দমকলের কর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকাজ শুরু করতে গিয়ে কিছুটা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল উদ্ধারকারীদের।

সূত্রে খবর, দেশের বেসামরিক বিমান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ডিজিসিএ উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে তদন্ত শুরু করবে। দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই পাইলট ‘মে ডে’ ঘোষণা করেছিলেন। বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।
শুরুতে খবর মিলছিল গুরুতর জখম হয়েছেন তিনি। এখন সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তিনি সহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে অফিসিয়াল কিছু জানানো হয়নি। কিছু সময়ের মধ্যে ডিজিসিএ-র তরফ থেকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
চাটার্ড বিমানে জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। সকাল ৮ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিমানটি। সূত্রের খবর, দৃশ্যমানতা খুবই কম ছিল। তার জেরেই এ ঘটনা কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কোনও যান্ত্রিক ক্রুটি ছিল কিনা, সমস্ত প্রোটোকল মানা হয়েছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিমান অবতরণের সঙ্গে পাইলটের সঙ্গে এটিসি-র যোগাযোগও সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আর ঠিক তখনই বারামতির মাঠে বিকট শব্দ করে ভেঙে পড়ে বিমানটি। ভেঙে পড়ার সময় জ্বালানি ট্যাঙ্কেও বিস্ফোরণ হয়। ইতিমধ্যেই বারামতির পথে রওনা হয়েছেন অজিত পওয়ারের পরিবারের সদস্যরা। যাচ্ছেন শরদ-কন্যা সুপ্রিয়া শোলে। শোকের ছায়া গোটা পরিবারে। শোকের ছায়া শরদ পওয়ারের সতীর্থদের মধ্যেও।








