বারামতীতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার-সহ ৬ জনের। জানা গেছে, বিমানবন্দরে অবতরণের আগে ‘মে ডে’ ঘোষণা করে জরুরি অবতরণের অনুমতি চেয়েছিলেন পাইলট। কিন্তু তার আগেই বারামতীর পাহাড়ি এলাকায় বিমানটি ভেঙে পড়ে। ৬ যাত্রীরই ঝলসে মৃত্যু হয়েছে বলেই অনুমান। আর এই দুর্ঘটনা ফেরাল গত জুন মাসের ভয়াল আমদাবাদ দুর্ঘটনার স্মৃতি।
গত ১২ জুন দুপুর ১টা ৩৯ মিনিটে সরদার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে ২৩ থেকে টেক অফ করে এআই-১৭১ নামের ফ্লাইটটি। টেক অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্রু ‘মেডে’ কল পাঠায়, যা সাধারণত চরম বিপদের সংকেত। এরপর আর যোগাযোগ করা যায়নি ককপিটের সঙ্গে।
৬২৫ ফুট উচ্চতায় পৌঁছেই সিগন্যাল হারিয়ে ফেলে বিমানটি এবং দ্রুত নীচে নেমে আসে। উড়ানের প্রায় ৯ মিনিটের মাথায় মেঘানিনগরের একটি মেডিক্যাল হস্টেলে মুখ থুবড়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর সভা বলে কথা! ধুলো-মুক্ত রাখতে হবে; সিঙ্গুরে স্প্রিংকলার গাড়ি পাঠাল কলকাতা কর্পোরেশন
তদন্তে জানা যায়, টেকঅফের পরপরই পাইলট ‘মে ডে’ ঘোষণা করেছিলেন। তার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি ভেঙে পড়ে তাতে আগুন ধরে যায়। জীবিত অবস্থাতেই ঝলসে মৃত্যু হয় যাত্রীদের। কেবল একজন যাত্রী কোপাল ফেরে বিমানের জানলা দিয়ে বাইরে বেরোতে সফল হন।
ঘটনার সময় দুর্ঘটনাস্থলে তাপমাত্রা ছাড়িয়েছিল ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রেসকিউ অফিসারদের মতে, বিমানটি ভেঙে পড়ার পর দুর্ঘটনাস্থলের তাপমাত্রা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল (প্রায় ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত), যে আশপাশে থাকা পাখি, কুকুররাও পালাতে পারেনি।









