spot_img
Friday, 6 February, 2026
6 February
spot_img
HomeদেশAjit Pawar Plane Crash: Learjet 45 চাটার্ড বিমান নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ২০০৩...

Ajit Pawar Plane Crash: Learjet 45 চাটার্ড বিমান নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ২০০৩ সালে বন্ধ হয়েছিল গিয়েছিল উড়ান

এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মুম্বই থেকে বারামতির জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত মহারাষ্ট্র্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার।

আরও পড়ুনঃ ফেরাল আমদাবাদ দুর্ঘটনার স্মৃতি! ‘মে ডে!’ জরুরি অবতরণের অনুমতি চেয়েছিলেন অজিতের বিমানের পাইলট

বারামতির মাঠে ভেঙে পড়ে Learjet 45 চাটার্ড বিমানটি। ঘন কুয়াশার কারণে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেছিলেন পাইলট। কিন্তু তার আগেই সকাল ৮টা বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। এদিকে দুর্ঘটনার পরই এই মিড সাইজ এগজিকিউটিভ জেট নিয়ে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

যাঁরা মূলত বিজনেস ট্র্যাভেলের ক্ষেত্রে এই ধরনের ছোট এয়ারক্রাফট ব্যবহার করেন তাঁদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই Learjet 45. গোটা দেশেই এর ব্যবহার রয়েছে। ১৯৯৫ সাল থেকে এই বিমানের প্রোডাকশন শুরু হয়। ২০০৩ সালে এই ফ্লাইটকে ভারতের আকাশে সম্পূর্ণভাবে এর চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই সময় এই ফ্লাইটে একাধিক যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দেয়। এয়ার প্রেসার থেকে উইন্ড শিল্ড নানা ক্ষেত্রে সমস্যা ধরা পড়ে। উঁচুতে ওড়ার সময় এর উইন্ড শিল্ডে  একাধিকবার ফাটলও দেখা দেয়। এই সব যান্ত্রিক ক্রুটির জন্য দীর্ঘ সময় এই বিমানের চলাচল বন্ধ করা হয়।

আরও পড়ুনঃ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার; উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে তদন্তে DGCA

পরবর্তীতে ফের রিমডেলিং করে এই এয়ারক্রাফটকে চালু করা হয়। ফের জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই ছোটখাটো বিমান। সূত্রের খবর, এই বিমানটি দীর্ঘদিন থেকেই ব্যবহার করছিলেন অজিত পওয়ার। আগে মুম্বই পৌরসভার নির্বাচন থেকে জেলা স্তরের নির্বাচনে লাগাতার এই বিমান নিয়েছিলেন। এদিকে আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনার পর ডিজিসিএ উড়ানের ক্ষেত্রে নিয়মে বেশ কিছু কড়াকড়ি করে। উড়ানের আগে প্রতিটা যান্ত্রিক দিক খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখার পর ইঞ্জিনিয়রদের সবুজ সংকেত না এলে কোনও বিমানই উড়তে পারবে না। এ ক্ষেত্রে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর মতো ভিভিআইপি থাকার সময় সেই সমস্ত প্রোটোকল মানা হয়েছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যে পাহাড়ি এলাকার উপর দিয়ে বিমানটি যাচ্ছিল সেখানকার আবহাওয়ার রিপোর্ট কিন্তু স্পষ্টতই বলছএ সেখানকার দৃশ্যমানতা অত্যন্ত কম। কিন্তু তারপরেও এটিসি কেন ছাড়পত্র দিয়েছিল সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বিমান অজিত পওয়ারের পাশাপাশি তার নিরাপত্তারক্ষী, একজন অ্যাটেনডেন্ট, দু’জন পাইলট ছিলেন। অন্যদিকে এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন