টেবিলটপ রানওয়ে নাকি দৃশ্যমানতা কম? কী কারণে প্রাণ গেল মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের? আজ, ২৮ জানুয়ারি বারামতীতে যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে অবতরণ করার সময়ই পিছলে গিয়ে দুর্ঘটনা হয়। আছড়ে পড়ে বিস্ফোরণ হয় বিমানে। এরইমধ্যে ফ্লাইটর্যাডার-র কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
আরও পড়ুনঃ Learjet 45 চাটার্ড বিমান নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ২০০৩ সালে বন্ধ হয়েছিল গিয়েছিল উড়ান
এ দিন সকালে পুণের বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে স্কিড করে যায় অজিত পওয়ারের প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয়বার ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টা করেছিল বিমানটি। সেই সময়ই রানওয়েতে আছড়ে পড়ে বিমান।
ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য অনুযায়ী, বম্বার্ডিয়ার লিয়ারজেট ৪৫ বিমানটি সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে ছাড়ে, আরব সাগরের উপর দিয়ে উড়ে বারামতীতে যায়। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ বিমানটি প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা করে। কিন্তু দৃশ্যমানতা কম থাকায় বিমানটি অবতরণ করতে পারেনি বলেই জানিয়েছে এয়ারক্রাফ্ট অপারেটর ভিএসআর ভেনচার।
এরপরে সকাল ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করে বিমানটি। ঠিক তার পরেই, সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ র্যাডার থেকে উধাও হয়ে যায় বিমানটি। জানা যায়, রানওয়ে ১১-র প্রান্তে একটি বিমান আছড়ে পড়ে আগুন ধরে গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ফেরাল আমদাবাদ দুর্ঘটনার স্মৃতি! ‘মে ডে!’ জরুরি অবতরণের অনুমতি চেয়েছিলেন অজিতের বিমানের পাইলট
প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়তেই বিস্ফোরণ হয়, কার্যত আগুনের গোলায় পরিণত হয় বিমানটি। নিমেষে ধোঁয়া ও লেলিহান শিখা বিমানটিকে গ্রাস করে। বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, পাইলট ও ফার্স্ট অফিসার। দুর্ঘটনায় সকলেরই মৃত্যু হয়েছে।
ডিজিসিএ-র তরফে এখনও দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়া না গেলেও, বিমান সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, দৃশ্যমানতা কম থাকার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে।









