ভোটের মুখে অন্তর্বর্তী বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত ‘কল্পতরু’ রূপে হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের লক্ষ লক্ষ ফ্রন্টলাইন কর্মীর কথা মাথায় রেখে আশাকর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ার, পার্শ্বশিক্ষক ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জন্য বড় স্বস্তির ঘোষণা করা হল এই বাজেটে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সব ক্ষেত্রেই ভাতা এক ধাক্কায় ১০০০ টাকা করে বৃদ্ধি।
আরও পড়ুনঃ দেবগ্রামের শিবমন্দির; ধ্বংসস্তূপের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের আর্তনাদ
২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বয়স যাঁদের, কোনও চাকরি পাননি তাঁদের এবার থেকে প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য।
বাজেট বক্তৃতায় জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কম ভাতা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ করে চলা আশাকর্মীদের জন্য এবার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে রাজ্য সরকার। শুধু ভাতা বৃদ্ধিই নয়, আশাকর্মীরা এবার পাবেন ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি।
আরও পড়ুনঃ লাইনচ্যুত নিউ জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেস! ওড়িশায় ফের রেল দুর্ঘটনা
রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথম আশাকর্মীদের জন্য এত দীর্ঘ মাতৃত্বকালীন ছুটির ঘোষণা করা হল, যা নারী কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখানেই থামেনি রাজ্য সরকারের ঘোষণা। কর্মরত অবস্থায় কোনও আশাকর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। এতদিন এই সুবিধা না থাকায় বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ত।
অন্তর্বর্তী বাজেটে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্যও বড় সুখবর। তাঁদের ভাতাও বাড়ানো হচ্ছে মাসে ১০০০ টাকা। একই সঙ্গে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য বাজেটে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পার্শ্বশিক্ষক ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাও বাদ পড়লেন না। বাজেট অনুযায়ী, তাঁদের ক্ষেত্রেও মাসিক ভাতা ১০০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে।









