spot_img
Friday, 6 February, 2026
6 February
spot_img
HomeকলকাতাLeft Front: বাম কী ভাঙছে! হঠাত্‍ হলটা কী? তীব্র মতবিরোধ বাম বৈঠকে;...

Left Front: বাম কী ভাঙছে! হঠাত্‍ হলটা কী? তীব্র মতবিরোধ বাম বৈঠকে; বেরিয়ে গেল ফরওয়ার্ড ব্লক

ISF-র সঙ্গে জোটের প্রশ্নে তীব্র মতবিরোধ। সেলিমের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ফরওয়ার্ড ব্লক নেতাদের।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করাটাই যেন কাল হয়েছে। বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে শিবিরের অন্দরেই। বুধবার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে এই ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সিপিএমের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে। আর এবার সেই একই প্রশ্নে উত্তাল হল আলিমুদ্দিন। পরিস্থিতি এমনই হয় যে শরিকদলের নেতাকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় বৈঠক কক্ষ ছেড়ে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার রাজনীতিতে ‘ভাতার লড়াই’; “ক্ষমতা বদল করুন, বিজেপি এলে জুন মাস থেকেই ৩০০০ টাকা” পাল্টা চাল বিরোধী দলনেতার

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টেয় সব শরিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে বামফ্রন্টের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে হুমায়ুন প্রসঙ্গে শরিকদের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পায় বলে সূত্রের খবর। শরিকদের একটা বড় অংশ সাফ জানিয়ে দেয়, বামফ্রন্টকে মানুষ বিশ্বাস করে, অন‍্য কোনও দলকে নয়।

দেখা যায়, বৈঠক শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময়ের আগেই আলিমুদ্দিন থেকে বেরিয়ে যান ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা নরেন চট্টোপাধ্যায়। আবার মিনিট দশেক পরে ফিরে আসেন, ফের বেরিয়ে যান। পরে সাংবাদিকদের জানান, তাঁর দলের সেক্রেটারিয়েট মিটিং আছে, তাই তাঁকে বেরিয়ে যেতে হয়েছে। এমনকী মহম্মদ সেলিমের নাম নিয়েও তীর্যক মন্তব্য শোনা যায় নরেনের মুখে।

আরও পড়ুনঃ নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে শৈলরানির ‘খেলনা গাড়ি’-কে; আকর্ষণ বাড়াতে টয়ট্রেনে বিয়ের ভাবনা

সূত্রের খবর, বৈঠকে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা নরেন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এক রাহু(কংগ্রেস) গিয়েছে, আরও একটা(ISF) আছে। আমরা বামপন্থীরা শুধু লড়ব। এই করে করে তো শেষ হয়ে যাচ্ছে‘। চুপ করে থাকেননি সিপিএমের রাজ্য় সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি পালটা বলেন, ‘তাহলে অশোকবাবু(প্রয়াত ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা অশোক ঘোষ) কেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন‘? এরপরই মেজাজ হারান নরেন। বৈঠক না করেন বেরিয়ে যান তিনি। কংগ্রেসের সিদ্ধান্তেও এদিন তীব্র মতানৈক্য তৈরি হয় বাম শরিকদের মধ‍্যে।

বুধবার একই প্রশ্ন ওঠে সিপিএমের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে। প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে চলে সেই বৈঠক। সেখানেই নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আসন সমঝোতার যে কোনও প্রশ্নই নেই। কেন হুমায়ুনের সঙ্গে কথা বলতে গেলেন রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম? সেই প্রশ্ন তোলেন সম্পাদকমণ্ডলীর অধিকাংশ সদস্য। সেলিম জানান, কয়েকটি কৌশলগত কারণে হুমায়ুনের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন ছিল। সূত্রের খবর সেলিম জানিয়েছেন যে, হুমায়ুন কবীর বারবার সিপিএমের সঙ্গে কথা বলতে চাইছিলেন। সেই কারণে কথা বলা। তবে কোনও কমিটমেন্ট (প্রতিশ্রুতি) করা হয়নি।গতকাল, বুধবার দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে একাধিক নেতা সেলিমকে জানিয়ে দেন, হুমায়ুনের সঙ্গে বৈঠক করা এবং তার যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, তাতে ভাল বার্তা যায়নি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন