spot_img
Friday, 6 February, 2026
6 February
spot_img
HomeদেশLata Mangeshkar: 'ভারতের নাইটিঙ্গেল'; বঙ্গবার্তা মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করছে 

Lata Mangeshkar: ‘ভারতের নাইটিঙ্গেল’; বঙ্গবার্তা মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করছে 

১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে সব চেয়ে বেশি সংখ্যক গান রেকর্ড করার জন্য গিনেস বুক অব রেকর্ডে তার নাম ওঠে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ভারতের স্বনামধন্য গায়িকা লতা মঙ্গেশকরের আজ মৃত্যুবার্ষিকী । তিনি ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের রাজধানী ইন্দোরে (বর্তমান মধ্যপ্রদেশ) জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা পণ্ডিত দীনানাথ মঙ্গেশকর একজন মারাঠি ও কোঙ্কিণী সংগীতজ্ঞ এবং মঞ্চ অভিনেতা ছিলেন। তার মাতা সেবন্তী (পরবর্তী নাম পরিবর্তন করে সুধামতি রাখেন) বোম্বে প্রেসিডেন্সির তালনারের (বর্তমান উত্তর-পশ্চিম মহারাষ্ট্র) একজন গুজরাটি নারী ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ বশীকরণে সিদ্ধহস্ত, তুকতাকে পারদর্শী শাস্ত্রী! এবার কি পার পাবেন মিমি

পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লতা সর্বজ্যেষ্ঠ। তার বাকি ভাইবোনেরা হলেন – আশা ভোঁসলে, ঊষা মঙ্গেশকর, মীনা মঙ্গেশকর ও হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর।

শৈশবে বাড়িতে থাকাকালীন কে এল সায়গল ছাড়া আর কিছু গাইবার অনুমতি ছিলো না তার। বাবা চাইতেন ও শুধু ধ্রপদী গান নিয়েই থাকুক। জীবনে প্রথম রেডিও কেনার সামর্থ্য যখন হলো, তখন তার বয়স আঠারো। কিন্তু রেডিওটা কেনার পর নব ঘুরাতেই প্রথম যে খবরটি তাকে শুনতে হয় তা হচ্ছে, কে. এল. সায়গল আর বেঁচে নেই। সঙ্গে সঙ্গেই রেডিওটা ফেরত দিয়ে দেন তিনি। ৫ বছর বয়সে বাবার পরিচালিত গীতি-নাট্যে অভিনয় করেন।

১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দে রেডিওতে দুটি গান রেকর্ড করেন, বাবার মৃত্যুর পর পেশা জীবনে পা রাখেন। ১৩ বছর বয়সে মারাঠি গানের রেকর্ড হয়, কিন্তু সে গান সিনেমা থেকে বাদ যায়। তার প্রথম হিন্দি গান মারাঠি ‘জগভাউ’ নামক ছবিতে। হিন্দি চলচ্চিত্র ‘আপ কি সেবা মে’ প্রথম হিন্দি গান গেয়েছেন তিনি। তারপর ১৯৪৮ এ প্রযোজক শশধর মুখোপাধ্যায়-এর ছবি ‘শহিদ’ ছবিতে তিনি সুযোগ পান এবং মজবুর সিনেমায় ‘দিল মেরা তোড়া’ গানে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা পান।

আরও পড়ুনঃ বৃষ্টি বা ঝড়ের কোনো আশঙ্কা নেই দুই বঙ্গেই; আজ বঙ্গের আবহাওয়া

লতা মঙ্গেশকর তার কর্মজীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা ভারতরত্ন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণ, তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন। এই সংগীতশিল্পীকে ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্স সরকার তাদের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা লেজিওঁ দনরের অফিসার খেতাব প্রদান করেছে।

এছাড়া তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, মহারাষ্ট্র ভূষণ পুরস্কার, এনটিআর জাতীয় পুরস্কার , জি সিনে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, এএনআর জাতীয় পুরস্কার, শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ৩টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ১৫টি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ৪টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে সব চেয়ে বেশি সংখ্যক গান রেকর্ড করার জন্য গিনেস বুক অব রেকর্ডে তার নাম ওঠে। লতা মঙ্গেশকর ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে পরলোকগমন করেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন