বিধানসভায় রহস্যময় ২৯৯ নম্বর সিট! মুখ্যমন্ত্রীর পাশের আসন বরাবরই খালি থাকে
দীর্ঘদিনের প্রথা, নির্দিষ্ট কয়েকটি আসনে বসেন না কোনও বিধায়ক
কলকাতার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সাধারণত প্রতিটি বিধায়কের জন্য নির্দিষ্ট আসন থাকে। কিন্তু একটি আসন বছরের পর বছর খালি রাখা হয়— আর সেই কারণেই ফের আলোচনায় ২৯৯ নম্বর সিট। বিধানসভার নথিতেই উল্লেখ রয়েছে, এই আসন কোনও সদস্যকে বরাদ্দ করা হয় না।
আরও পড়ুনঃ এবার কী হবে? সত্যিই কী চাপ বাড়ল মমতার ওপর!
৩০০ নম্বর আসন শুধুই মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দিষ্ট আসন নম্বর ৩০০।
অতীতে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় থেকে জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য হয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী— সকলেই এই আসনেই বসেছেন।
অধ্যক্ষের আসনের কাছাকাছি সরকার পক্ষের প্রথম সারিতেই থাকে এই সিট।
আরও পড়ুনঃ ভরদুপুরে ভয়ঙ্কর ঘটনা! একসঙ্গে ১২,০০০ হাজার হাজার মুরগী পুড়ে ছাই
তাহলে ২৯৯ নম্বর খালি কেন?
বিধানসভার সচিবালয়ের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় নথি ও কাজের সুবিধার জন্য পাশের আসনটি ফাঁকা রাখা হয়। এটি বহু বছরের প্রচলিত নিয়ম।
আরও তিনটি ‘সংরক্ষিত’ আসন
ডেপুটি স্পিকারের সিট ১৫— তাই ১৬ নম্বর আসনও খালি রাখা হয়।
সরকার পক্ষের মুখ্য সচেতকের জন্য নির্ধারিত ২৮৪ নম্বর সিটের পাশে ২৮৩ নম্বর আসনও বরাদ্দ করা হয় না।
কীভাবে নির্ধারিত হয় অন্য আসন?
বিধায়কদের বয়স ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সাধারণত বসার জায়গা ঠিক করা হয়। কে কতবার নির্বাচিত হয়েছেন, সেটিও বিবেচনায় রাখা হয়।
শেষ অধিবেশনে নজর নতুন আসনেও
বর্তমান অধিবেশনটি আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে শেষ অধিবেশন হিসেবে ধরা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নতুন আসন দেওয়া হয়েছে— তাঁর সিট নম্বর ২৭২। পাশেই রয়েছেন মদন মিত্র ও দেবাশিস কুমার। তিনি নতুন আসনে বসবেন কি না, তা নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
বিধানসভার এই অলিখিত নিয়ম সম্পর্কে আগে জানতেন?









