পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ এখন আর কেবল অশান্ত নয়, বরং ‘সিস্টেমিক কোলাপস’ বা পদ্ধতিগত পতনের দ্বারপ্রান্তে। পাকিস্তানে যা ঘটছে, তা কেবল বিদ্রোহ নয়—তা পাকিস্তানের অস্তিত্বের মূলে এক সরাসরি আঘাত!
আরও পড়ুনঃ ভারত আমেরিকার ট্রেড ডিলের শর্ত! ভারত কি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করার কথা বলেছে?
কী ঘটছে সেখানে?
সরাসরি সেনার ওপর আঘাত: সম্প্রতি বা লিবারেশন আর্মি (BLA) সাতটি শহরে সমন্বিত হামলা চালিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে যে পাকিস্তানের তথাকথিত ‘নিরাপত্তা’ এখন একটি ভ্রম। কাউন্টার টেরোরিজম ডিপার্টমেন্ট (CTD) দখল, জেল ভেঙে বন্দি মুক্তি এবং প্রায় ৮০ জন সেনার মৃত্যু—ইসলামাবাদ আজ দিশেহারা।
আস্থা ও অস্তিত্বের সংকট: নিজের সেনাদের রক্ষা করতে ব্যর্থ রাষ্ট্র যখন বিদেশের দ্বারে ঋণের জন্য হাত পাতে, তখন সার্বভৌমত্ব কেবল একটি শব্দে পরিণত হয়।
অজিত ডোভালের সেই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হুঁশিয়ারি!
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল যখন বলেন, “ভারত গিয়ার বদলেছে,” তখন বুঝতে হবে সময় ফুরিয়ে এসেছে। তাঁর সেই কালজয়ী উক্তি—”Try another Mumbai, and forget Balochistan“—আজ পাকিস্তানের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুনঃ থমকে গেল কলকাতা মেট্রো! শীতের মরশুমে ব্যহত পরিষেবা
অপারেশন সিন্দুর ও ভারতের রণকৌশল:
এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিধ্বংসী অভিযানে ভারত পাকিস্তানের ১৩টি এয়ারবেসের মধ্যে ১১টিকেই অকেজো করে দিয়েছিল। স্থলসেনার প্রয়োজন পড়েনি, শুধু আকাশপথের শক্তিতেই পাকিস্তানের নেতৃত্ব বাঙ্কারে লুকাতে বাধ্য হয়েছিল। এখন ভারতের নৌবাহিনী প্রস্তুত হচ্ছে করাচি ও সিন্ধু প্রদেশের সামুদ্রিক লাইফলাইন বিচ্ছিন্ন করতে।
ইতিহাসের অন্তিম লগ্ন? ১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৭১ কিংবা ১৯৯৯—পাকিস্তান বরাবরই পরাজয়কে অস্বীকার করেছে। এমনকি কার্গিলে তারা নিজেদের মৃত সেনাদের দেহ নিতে অস্বীকার করেছিল। আজ বালুচিস্তান সেই অপমানেরই জবাব দিচ্ছে। ভেতর থেকে বিদ্রোহ আর বাইরে থেকে ভারতের ‘অফেন্সিভ ডিফেন্স’—পাকিস্তান আজ এক আগ্নেয়গিরির ওপর দাঁড়িয়ে।
প্রশ্ন একটাই: পাকিস্তান কি আর একটি উস্কানি দেওয়ার সাহস দেখাবে? কারণ পরের বার হয়তো আর ক্ষমা নয়, সরাসরি মানচিত্র সংশোধন হবে!









