অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের ভোলারি বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে হ্যাঙার ধ্বংস করেছিল ভারত। সেই হ্যাঙারের মোমতির কাজে হাত লাগিয়েছে পাকিস্তান। জানা গিয়েছে, হ্যাঙারটির ক্ষতিগ্রস্ত ছাদ খুলে ফেলা হয়েছে। নতুন করে সেখানে ছাদ বসানো হবে। পাক বায়ুসেনার এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল এয়ারক্রাফ্ট SAAB 2000 ধ্বংস হয়েছিল ভোলারির এই হামলায়। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোলারিতে হ্যাঙারে ২০২৫ সালের ১০ মে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে হামলা হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ বদলে যাবে পাকিস্তানের মানচিত্র? আসিম মুনিরের ঘুম কেড়েছেন ডোভাল!
পাকিস্তানি ড্রোন হামলার জবাব দিতে পাকিস্তান জুড়ে ভারতের মিসাইল আছড়ে পড়েছিল। সেই সময় ভোলারির হ্যাঙারের ছাদ ভেদ করে তাতে থাকা বিমানের ক্ষতি করেছিল ভারতীয় মিসাইল।
এনডিটিভির রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত ২৮ জানুয়ারি ভ্যান্টোর নামক সংস্থার তোলা একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভোলারির হ্যাঙারের সবুজ ছাদের বেশ কিছু অংশ খুলে ফেলা হয়েছে। এর থেকেই মনে করা হচ্ছে, এই বায়ুসেনা ঘাঁটির হ্যাঙারটির মেরামতির কাজে হাত লাগিয়েছে পাকিস্তান। সব ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে নয়া ছাদ লাগিয়ে এই হ্যাঙারটি ফের ব্যবহারযোগ্য করার চেষ্টায় রয়েছে পাকিস্তান। এর আগে নূর খান এয়ারবেসটি দীর্ঘদিন বন্ধ করে রাখতে হয়েছিল পাকিস্তানকে। এছাড়াও মুরিদ, সুক্কুর সহ একাধিক ঘাঁটিতে পাকিস্তানের বড় ক্ষতি করেছিল ভারতীয় মিসাইল।
আরও পড়ুনঃ ভারত আমেরিকার ট্রেড ডিলের শর্ত! ভারত কি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করার কথা বলেছে?
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এর জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।









