spot_img
Wednesday, 11 February, 2026
11 February
spot_img
HomeকলকাতাBlue Cubs League : কবিগুরুর স্কুলে 'গোষ্ঠপাল চ্যাম্পিয়নস ব্লু কাবস্ লিগ'এর শেষ...

Blue Cubs League : কবিগুরুর স্কুলে ‘গোষ্ঠপাল চ্যাম্পিয়নস ব্লু কাবস্ লিগ’এর শেষ দিনের খেলা

টানটান উত্তেজনায় ভরা ম্যাচ যে সকলের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলেছিল, সেটা ভালোই বোঝা যাচ্ছিল এদিন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.




দেবজিৎ মুখার্জী, কলকাতা:

ফুটবল! এই খেলাটা বাঙালিদের কাছে কি, তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। বা বলা যায়, বাঙালি মানেই সে ফুটবলপ্রেমী। পাড়ায় পাড়ায় হোক কি মাঠে-ময়দানে,  ফুটবল প্রতিযোগিতা হলেই সকলের আগ্রহটা একেবারে অন্য পর্যায়ে পৌঁছে যায়। বলা ভালো, উন্মাদনা একেবারে অন্য মাত্রার দেখা যায়। বাঙালির কাছে ফুটবল শুধু একটা খেলা নয়, একটা আবেগও।

আরও পড়ুনঃ শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ; বাগানে নতুন মুখ, অনুশীলনে যোগ দিচ্ছেন রানাওয়াড়ে

এই একই আবেগ লক্ষ্য করা যায় রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি। গতকাল শেষ হয় ‘গোষ্ঠপাল চ্যাম্পিয়নস ব্লু কাবস্ লিগ’।

অন্তিম দিনের ম্যাচ খেলা হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্কুল ওরিয়েন্টাল সেমিনারির মাঠে। এদিনও সহযোগিতা করে উত্তর কলকাতা মিলন চক্র।

রোজের মতো সকল অংশগ্রহণকারী দল এবং তাদের ক্ষুদে ফুটবলাররা, কোচ ও অভিভাবকদের সঙ্গে, সময় মতো মাঠে পৌঁছে যান। খেলা শুরুর আগে দেখা যায় সেই গার্জেন ও কোচেদের পেপ টক। খেলোয়াড়রা যাতে নিজেদের সেরাটা দিতে পারে, তার জন্য কোচেরা তাদের শেষ মুহূর্তেও সবরকমভাবে প্রস্তুত করেন।

আরও পড়ুনঃ ১১ বছরের অচলাবস্থার অবসান! মোদী সরকারের যুগান্তকারী পেনশন বৃদ্ধি; বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বস্তি

এদিনও খেলা হয় একাধিক ম্যাচ। অধিকাংশ ম্যাচই বেশ হাড্ডাহাড্ডি হয়েছে। কোনও দলই একে অপরকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েনি। বলা ভালো, ক্ষুদেরা প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে চলেছে যে তারা কোন অংশে কম যায় না।
 
বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, সকলকে তারা দেখিয়ে দিয়ে যাচ্ছে যে আগামীদিনে তারা ময়দানে দাপট চালাতে পারে এবং সেই ক্ষমতা তাদের মধ্যে রয়েছে। প্রত্যেকটি ম্যাচেই দেখা যায় ক্ষুদে ফুটবলারদের দুর্দান্ত স্কিল। পাসিং হোক কি শুট করা, সবেতেই তারা যে এখন থেকে পরিণত হচ্ছে ধীরে ধীরে, তা না বললেও তাদের খেলায় বোঝা যায়।
 

ম্যাচ চলাকালীন কোচেদের দলের ফুটবলারদের পরামর্শ দেওয়া থেকে শুরু করে অভিভাবকদের উত্তেজনা, রোজের মতো এদিনও চোখে পড়ে। তবে শুধু অভিভাবক নন, বহু পথ চলতি মানুষও এদিন মাঠে ঢুকে পড়েন খেলা দেখতে।

সকলেই যে উপভোগ করেছেন ম্যাচগুলি, তা না বললেও অনুভব করা যায়। টানটান উত্তেজনায় ভরা ম্যাচ যে সকলের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলেছিল, সেটা ভালোই বোঝা যাচ্ছিল এদিন। কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে সকলেই ক্ষুদে ফুটবলারদের খেলার প্রশংসা করেন। আগামীদিনে টুর্নামেন্ট সংক্রান্ত কি পরিকল্পনা রয়েছে, তাও জানিয়ে দেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন