প্রতিবেশী তরুণীকে লাগাতার যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে। ঘটনায় শোরগোল পড়ল হুগলির চণ্ডীতলায়। সালিশিসভায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
আরও পড়ুনঃ আত্মনির্ভর হওয়ার পথে দ্রুত এগোচ্ছে ভারত; আর বাইরে থেকে সবজি ফল আমদানি নয়! জানাল মোদী সরকার
নির্যাতিতার দাদার অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে তাঁর বোনকে লাগাতার যৌন নির্যাতন করতেন ওই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। এক সপ্তাহ আগে তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। গতকাল সালিশিসভা বসে গ্রামে। পুলিশ গিয়ে পঞ্চায়েত সদস্যকে তুলে নিয়ে আসে। তার মধ্যেই মারধর করা হয় ওই তৃণমূল নেতাকে। এদিন চণ্ডীতলা থানায় লিখিত অভিযোগের পর গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। তাঁর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নির্যাতিতার আত্মীয়রাও ।
আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর চক্ষুদান বাস্তবায়িত করায় পরিবারকে অঙ্গচুরির কেসে গ্রেফতার করল এরাজ্যের পুলিশ..!
অন্যদিকে এদিন ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭ জন সদস্য ও তিন জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের কাছে অভিযুক্তের সদস্যপদ খারিজের আবেদন করেন। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, “আমার পঞ্চায়েতের সদস্যরা একটি চিঠি দিয়েছেন পদক্ষেপ করার জন্য। নিশ্চয়ই আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই পালন করব। কারণ ভুল করলে সেটা অবশ্যই ভুল। তার কোনও ক্ষমা নেই, সেটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের শিখিয়েছেন। তাঁর দেখানো পথেই আমরা চলব।”
এ বিষয়ে তৃণমূলকে খোঁচা দিতে ছাড়েনি সিপিআইএম। বাম নেতা মনোজ চল বলেন, “পঞ্চায়েতের সদস্যরা কোথায় গ্রামের উন্নয়ন করবেন। সেখানে একজন সদস্যের চরিত্রটা কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে। এরা আবার নাকি মানুষের ভালো করবেন।”









