সকালে কিংবা সন্ধ্যাবেলায় গরম চায়ের কাপে স্বস্তি খোঁজেন মানুষ। সেই চা যদি স্বাদের পাশাপাশি শরীরের অস্বস্তি কমাতেও সহায়ক হয়, তবে আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে।
আরও পড়ুনঃ আবারও লক্ষ্য দক্ষিণ মেরু! Chandrayaan 4-এর অবতরণস্থলও চিহ্নিত
নদীয়ার রানাঘাটে ঠিক তেমনই এক ব্যতিক্রমী লঙ্কা-ভেষজ চা তৈরি করে আলোচনায় এসেছেন চা বিক্রেতা। কাঁচা লঙ্কা, আদা, পুদিনা পাতা, পাতিলেবুর মিশেলে তৈরি এই চা শীতকালে সর্দি-কাশির সমস্যায় কিছুটা আরাম পাওয়ার আশায় মানুষের ভিড় টানছ এই চা দোকানে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , ২০২১ সালে করোনা পরিস্থিতিতে হঠাৎ কাঁচা লঙ্কা,আদা দিয়ে তৈরি চায়ের চাহিদা বেড়ে যায়। ঠিক তখনই নদীয়া জেলার রানাঘাটে নোকারীতে এক চা বিক্রেতা দীপক সরকার সম্পুর্ন নিজস্ব ভাবনায় এই ধরণের চা তৈরী করেন। সেই থেকেই নানা ভেষজ চায়ের রেসিপি তৈরী করেন তিনি। প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি এই চা বিক্রি করছেন।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূল আমলে বার বার ধর্ষিত বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মেয়েরা! হুগলির চণ্ডীতলায় এ কি হল?
ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি এছাড়াও গলা খুসখুস, জমে থাকা কফ কিছুটা আরাম দেয় এই আদা চা। কাঁচা লঙ্কা চায়ের ঝাঁজ কফ বের করতে সাহায্য করে, পুদিনা পাতা শ্বাসপ্রশ্বাসে স্বস্তি আনে, আর পাতিলেবু চা শরীরে রোধ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলে দাবি ক্রেতাদের। সবমিলিয়ে শীতকালের মরসুমে এই দোকানে ক্রেতাদের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো।
চা পান করতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা জয়ন্ত বাগচী বলেন, “সময় পেলেই আমি এই লঙ্কা চা খেতে আসি। স্বাদ অন্য চায়ের থেকে আলাদা। গলা খুসখুস করলে এই চা খাওয়ার পর তা অনেকটাই কমে যায়।ঠান্ডা লাগার ভাব কমে যায়। সর্দি, হাঁচি, কাশি, জ্বরের সময় এই চা বেশ স্বস্তি দেয়। এই লঙ্কা চায়ের স্বাদ অন্য সব চায়ের থেকে আলাদা।নিয়মিত খেলে শরীর হালকা থাকে বলে আমার মনে হয়”









