spot_img
Wednesday, 11 February, 2026
11 February
spot_img
HomeদেশMaha Shivratri 2026: যেখানে শিব মুখ ফেরান; কেদারনাথের পেছনের সত্য

Maha Shivratri 2026: যেখানে শিব মুখ ফেরান; কেদারনাথের পেছনের সত্য

একটা অদ্ভুত চাপ অনুভব হয়—মাথা ঝুঁকে আসে, চোখ নামতে চায়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

হিমালয়ের কোলে দাঁড়িয়ে থাকা কেদারনাথ মন্দিরকে দেখলে প্রথমেই একটা প্রশ্ন মাথায় আসে—এখানে শিবের মুখ কোথায়? কারণ কেদারনাথে যে শিবলিঙ্গ পূজিত হয়, সেটা সম্পূর্ণ লিঙ্গ নয়।এটা শিবের পৃষ্ঠদেশ—পিঠের অংশ। এই সত্যটা বহু মানুষ জানেন না।

আরও পড়ুনঃ আবারও লক্ষ্য দক্ষিণ মেরু! Chandrayaan 4-এর অবতরণস্থলও চিহ্নিত

পুরাণ বলে, মহাভারতের যুদ্ধের পর পাণ্ডবরা পাপমুক্তির জন্য শিবের সন্ধানে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু শিব তখন মানুষকে দর্শন দিতে চাননি। তিনি জানতেন—এরা ক্ষমা চাইবে, কিন্তু যুদ্ধ থামায়নি।

তাই শিব নন্দীর রূপ নিয়ে হিমালয়ে পালিয়ে যান। পাণ্ডবরা চিনে ফেলেন। ভীম নন্দীর লেজ ধরে টান দেন।

ঠিক সেই মুহূর্তে শিব মাটির নিচে প্রবেশ করেন। কিন্তু পুরো শরীর ঢুকতে পারেননি। পিঠের অংশ থেকে যায় বাইরে।

সেই অংশই আজকের কেদারনাথ শিবলিঙ্গ। লোকবিশ্বাস বলে— শিব ইচ্ছে করেই মুখ দেখাননি।কারণ মুখ মানে করুণা, আর পিঠ মানে নীরব প্রত্যাখ্যান। এই জন্যই কেদারনাথকে বলা হয়—“ক্ষমা পাওয়ার মন্দির, কিন্তু সহজে নয়।”

আরো ভয়ংকর একটা কথা আছে, যেটা পুরোহিতরা খুব নিচু গলায় বলেন।রাতের বেলা, শীতের সময়, যখন মন্দির বন্ধ থাকে—অনেক সেবায়েতের মতে, ভেতরে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। বাইরে বরফ, ভেতরে উষ্ণতা।

আরও পড়ুনঃ ভারতের ২ ন্যানোমিটার চিপ; নীরবে বদলে যাচ্ছে দেশের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। তান্ত্রিক ব্যাখ্যায় বলা হয়— শিব তখনও তপস্যায়। আর সবচেয়ে অদ্ভুত নিয়ম— কেদারনাথে কখনোই শিবলিঙ্গের সামনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা যায় না।

একটা অদ্ভুত চাপ অনুভব হয়—মাথা ঝুঁকে আসে, চোখ নামতে চায়। পুরোনো সন্ন্যাসীরা বলেন— “কারণ শিব এখানে তাকান না, কিন্তু তুমি তাকালে নিজেকে দেখতে পাও।”

কেদারনাথ শিব রুদ্র নন, ভোলানাথ নন— এখানে তিনি মহাযোগী, যিনি কথা বলেন না।

মন্দির পরিচয় ও অবস্থান কেদারনাথ মন্দির, রুদ্রপ্রয়াগ জেলা, উত্তরাখণ্ড।দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম। উচ্চতা প্রায় ১১,৭৫৫ ফুট।

উৎস ও ধারণা

স্কন্দ পুরাণ (কেদারখণ্ড), মহাভারতের অনুশাসন পর্বের কাহিনি, কেদারনাথ মন্দিরের পুরোহিতদের মৌখিক বর্ণনা ও আদিশঙ্করাচার্যের প্রাচীন তীর্থ বিবরণ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন