বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিনে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও সহিংসতার খবর পাওয়া গিয়েছে। খুলনায় ভোটকেন্দ্রে ধস্তাধস্তির জেরে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে এবং গোপালগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণে আনসার সদস্যসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
নিহত নেতার নাম মহিবুজ্জামান কচি (৬০)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তাঁর বচসা ও ধস্তাধস্তি বাধে। অভিযোগ উঠেছে, জামায়াত কর্মীরা তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও জামায়াতে ইসলামী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে, শেখ হাসিনার জন্মস্থান গোপালগঞ্জের রেশমা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটকেন্দ্র লাগোয়া খালের ওপার থেকে দুষ্কৃতীরা ককটেল নিক্ষেপ করে। এই বিস্ফোরণে আনসার বাহিনীর দুই সদস্য, সুকণ্ঠ মজুমদার ও জামাল হোসেন, এবং এক ভোটারের সঙ্গে আসা আমেনা খানম (১৪) নামের এক কিশোরী আহত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২,৭৮৯টি ভোটকেন্দ্রে গড়ে ৩২.৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। সকালের দিকে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে গোপালগঞ্জ ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এবং রাজশাহীতে বিক্ষিপ্ত গোলমালের খবর পাওয়া গিয়েছে।
ভোটের সকালে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানালেও, বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার কারণে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।









