spot_img
Sunday, 15 February, 2026
15 February
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজAlexey Navalny: পুতিন-বিরোধী ৪৭ বছর বয়সী নাভালনিকে খুন; সরব ইউরোপের চার দেশ

Alexey Navalny: পুতিন-বিরোধী ৪৭ বছর বয়সী নাভালনিকে খুন; সরব ইউরোপের চার দেশ

ছুটে আসে অ্যাম্বুলেন্স পরে জানা যায় অ্যালেক্সি মৃত।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আর্কটিক পেনাল কলোনিতে বন্দি ছিলেন অ্যালেক্সি নাভালনি। মূলত, তাঁকে এই বিশ্ব চিনত রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর বিরোধী হিসাবে। পুতিনের সমালোচক এই নাভলনি, রাশিয়ায় ক্রেমলিন বিরোধী প্রতিবাদের ঝড় তোলেন। আওয়াজ তুলেছিলেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে। পরে তাঁকে জালিয়াতির অভিযোগে ১৯ বছরের জন্য জেলবন্দি করা হয়।

আরও পড়ুনঃ পুরকর্মীদের বেতন বৃদ্ধি; শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১১ কোটির ঘাটতি বাজেট পেশ

জেলবন্দি অবস্থাতেই ২০২৪ সালে মারা যান নাভালনি। রাশিয়া দাবি করেন স্বাভাবিক কারণেই নাভালনির মৃত্যু হয়। তবে ২০২৬ সালে ৪ ইউরোপিয় দেশ বোমা ফাটিয়ে দাবি করছে, নাভালনিকে বিশেষ প্রজাতির ব্যাঙ ‘ডার্ট ফ্রগ’র বিষ দিয়ে খুন করা হয়েছে। ইউরোপের ৪ দেশের আঙুল রাশিয়ার দিকে।

২০২৪ সালে ৪৭ বছর বয়সী অ্যালেক্সি বন্দি অবস্থায় জেলের ভিতরে হাঁটছিলেন। হাঁটতে হাঁটতেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। বুকে হাত দিয়ে পড়ে যান মাটিতে। ছুটে আসে অ্যাম্বুলেন্স পরে জানা যায় অ্যালেক্সি মৃত। এই তথ্য সেই সময় জানিয়েছিল রাশিয়া। এবার ইউকে, ফ্রান্স সহ ইউরোপের ৪ দেশ দাবি করছে, নাভালনিকে বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ফের প্রশাসনিক অদলবদল! রাজ্য পুলিশে বড়সড় রদবদল, দুই জেলার এসপি বদলি

ইউকের বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা জানি রাশিয়ান রাষ্ট্র এখন নাভালনির বিরোধিতার ভয়ে এই মারাত্মক বিষ ব্যবহার করেছে।’ তাদের যৌথ বিবৃতিতে এই দেশগুলি বলছে,’রাশিয়ার কাছে এই বিষ প্রয়োগের উপায়, উদ্দেশ্য এবং সুযোগ ছিল।’ ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, ‘রাশিয়া নাভালনিকে হুমকি হিসেবে দেখেছিল। এই ধরণের বিষ ব্যবহার করে রাশিয়ান রাষ্ট্র তার হাতে থাকা ঘৃণ্য হাতিয়ার এবং রাজনৈতিক বিরোধিতার প্রতি তার অপ্রতিরোধ্য ভয় প্রদর্শন করেছে।’ নাভলনির স্ত্রী বলছেন,’দুই বছর আগে আমি এখানে মঞ্চে এসে বলেছিলাম যে ভ্লাদিমির পুতিনই আমার স্বামীকে হত্যা করেছেন। আমি অবশ্যই নিশ্চিত ছিলাম যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড… কিন্তু তখন এটি কেবল কথার কথা ছিল। কিন্তু আজ এই কথাগুলি বিজ্ঞান-প্রমাণিত তথ্যে পরিণত হয়েছে।’ উল্লেখ্য, নাভালনিকে এর আগে ২০২০ সালে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল, যার জন্য তিনি ক্রেমলিনকে দায়ী করেছিলেন।

জানা যাচ্ছে,’ Epibatidine‘ মেলে ‘ডার্ট ফ্রগ’ বা বিশেষ প্রজাতির এই ব্যাঙের থেকে। আর এই ব্যাঙ মেলে দক্ষিণ আমেরিকায়। এককালে এই প্রজাতির ব্যাঙকে ‘বিষ ব্যাঙ’এও বলা হত। মধ্য আমেরিকারও কিছু কিছু জায়গায় এই বিষাক্ত ব্যাঙ মেলে। তথ্য বলছে, বেশিরভাগ বিষাক্ত ‘ডার্ট ফ্রগ’ (ব্যাঙ) উজ্জ্বল রঙের হয়, সম্ভাব্য শিকারীদের সতর্ক করার জন্য এপোসেম্যাটিক প্যাটার্ন প্রদর্শন করে। দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইনফরেস্টই এদের মূল বাসস্থান।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন