জামা থেকে জুতো হোক বা হাতা-চামচ থেকে খাট-আলমারির মতো ফার্নিচার, ই-কমার্স সাইটগুলির দৌলতে এখন সব কিছুই অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়। ভারতীয়দের কাছে অনলাইনে শপিং বলতেই প্রথমে যে অ্যাপগুলির নাম মাথায় আসে, তার মধ্য়ে অন্যতম হল ফ্লিপকার্ট। সম্প্রতিই কুইক ডেলিভারি সার্ভিস শুরু করেছে ফ্লিপকার্ট। এবার আরও বড় পদক্ষেপ। রিপোর্ট অনুযায়ী, এবার অনলাইন ফুড ডেলিভারি মার্কেটেও প্রবেশ করতে চলেছে ফ্লিপকার্ট। কড়া টক্কর দেবে জ্যোমাটো, সুইগির মতো অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্য়াপকে।
আরও পড়ুনঃ আকাশছোঁয়া বিমানভাড়া ও হোটেলের দাম, আকাশছোঁয়া জিওহটস্টারে ১০ সেকেন্ডের রেট
ইকোনমিক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওয়ালমার্টের মালিকানাধীন কোম্পানি অনলাইন ফুড ডেলিভারি শুরু করার পরিকল্পনা করছে। আপাতত পাইলট প্রকল্প হিসাবে বেঙ্গালুরুতে এই পরিষেবা শুরু করা হবে। আগামী মে বা জুন মাস থেকেই এই পাইলট প্রজেক্ট শুরু করা হতে পারে। যদি ভাল সাড়া মেলে, তাহলে চলতি বছরের শেষ ভাগে বা আগামী বছরের শুরু থেকে বাকি শহরেও এই পরিষেবা চালু হতে পারে
শোনা যাচ্ছে, আপাতত দুটি অপশন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ফ্লিপকার্ট নিজস্ব ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম আনতে পারে, কিংবা সরকার সাহায্যপ্রাপ্ত ওপেন নেটওয়ার্ক ফর ডিজিটাল কমার্স (ONDC)-র অধীনে খাবার ডেলিভারি পরিষেবা শুরু করতে পারে।
প্রসঙ্গত, এই প্রথম ফুড ডেলিভারির প্রচেষ্টা করছে না ফ্লিপকার্ট। দুই বছর আগেও ওএনডিসি-র অধীনে প্রচেষ্টা শুরু করেছিল। তবে তা বাস্তবায়ন হয়নি।
আরও পড়ুনঃ সৌন্দর্য অর্থহীন; শারীরিক গঠন কি সম্পর্কের মাপকাঠি?
ব্রোকারেজ ফার্ম জেফারিজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারতের অনলাইন ফুড ডেলিভারি মার্কেট ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আগামী ২০৩০ অর্থবর্ষের মধ্যে তা বেড়ে ২৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে।
সম্প্রতি ফ্লিপকার্ট মিনিটস ৫০০টি লোকেশনে ডার্ক স্টোর নেটওয়ার্ক চালু করেছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে তা ১০০০ স্টোরে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।









