কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ায় রবিবার সকালে এক যুবকের ওপর পুলিশি মারধরের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তবে কেন এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে এলাকার মানুষ এখনো চাঞ্চল্য এবং প্রশ্ন উঠছে।
আরও পড়ুনঃ মোদী নয়, তারেক রহমানের শপথে যোগ দিতে বাংলাদেশ যাচ্ছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে যুবসাথী প্রকল্পের বেকার ভাতার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য সকাল থেকেই ভিড় লাইন তৈরি হলে। স্থানীয় বিডিও অফিসের সামনে একটি বিশেষ ক্যাম্প বসানো হয়েছিল এবং লাইন নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। দীর্ঘ সময় লাইন ধীরে এগোচ্ছিল এবং এই কারণে যুবকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। খবর ছড়ায় যে, ভিতরে পরিচিত কিছু যুবকের আবেদন লাইন ছাড়াই হয়ে যাচ্ছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই লাইনে থাকা যুবকদের মধ্যে ক্ষোভ এবং উত্তেজনা বেড়ে যায়।
এর মধ্যেই এক যুবক পুলিশকে পরিস্থিতি বোঝাতে এগিয়ে যান। অভিযোগ অনুসারে, এই সময় পুলিশ ও যুবকের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে, পুলিশের তরফ থেকে ওই যুবককে গালিগালাজ করা হয় এবং এরপর হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন উভয়পক্ষ। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, যুবককে লাঠি, ঘাড় ধাক্কা এবং বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান; পাক কাঁটা উপড়ে ফেলতে ব্লু-প্রিন্ট তৈরি ভারতের
পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল যে, যুবকের স্ত্রী তাকে আঁকড়ে ধরেছিলেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি এবং যুবকের চারপাশে অবস্থান তাকে রক্ষা করতে পারছিল না। ভিডিওতে দেখা যায়, একের পর এক মারধর চলছিল—কেউ মাথায় মারছেন, কেউ পায়ে, কেউ গায়ে।
চোপড়া থানার আইসি সুরজ থাপা ঘটনার স্থান থেকে মাইক হাতে উপস্থিত হয়ে জনতাকে শান্ত থাকার আবেদন জানান। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন যে, এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে পুনরায় ঘটতে পারে।









