বিধানসভার নির্বাচনের মুখে পশ্চিমবঙ্গ। তার মাঝেই ঘটে চলেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর কান্ড। কখনো এসআইআরকে কেন্দ্র করে জায়গায় জায়গায় তোলপাড়, তো কখনো বঙ্গ বিজেপির অন্দরে নেতাদের মতপার্থক্য।
কখনো হুমায়ুন ও সেলিমের বৈঠককে কেন্দ্র করে বামেদের অন্দরে অশান্তি, তো কখনো জোট নিয়ে জটিলতা। নানা বিষয় নিয়ে এই মুহূর্তে ঘেঁটে রয়েছে রাজ্য রাজনীতি, তা বলাই যায়।
এবার সেই তালিকায় জুড়লো বামনেতা সিপিএম-এর প্রাক্তন রাজ্য কমিটির নেতা প্রতিক উর রহমান ও তাঁর চিঠি কান্ড। সম্প্রতি, তাঁর তরফ থেকে একটি চিঠি লেখা হয় শীর্ষ নেতৃত্বকে এবং জানানো হয় যে তিনি দলের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছেন না বলেই জেলা ও রাজ্য কমিটির দায়িত্ব তৎসহ দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই চিঠি দেখে মাথায় বাজ পড়ে বাম শিবিরের।
শোনা যাচ্ছে, প্রতীক শীঘ্রই ঘাসফুল শিবিরের পতাকা ধরতে পারেন। তেমনটা হলে যে চাপের মাত্রা আরো বাড়বে বামেদের, তা বলাই বাহুল্য। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, দলের তরফ থেকে তাঁর মান ভাঙ্গানোর চেষ্টা চলছে। দলের বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন। এক কথায় বলতে গেলে, এটি বাম ঘরানায় তৃণমূল কংগ্রেসের সার্জিকাল স্ট্রাইক বলা যায়।
সেই চাপ কিভাবে বাম শিবির সামলাবে, তার নেই ঠিক। তার উপর এবার আরো বড় বিপদের ঢেউ আছড়ে পড়তে চলেছে বামেদের উপর। আরএসপির মধ্যেও তৈরি হচ্ছে ফাটল। শোনা যাচ্ছে, শীঘ্রই ভাঙ্গন ধরবে। সেখানেও নাকি হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। শুধু হামলা নয়, একেবারে বড়সড় আক্রমণ বলা যায়। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, টিকিট পাকা। এমনটা হলে বামেরা যে একেবারে বিধ্বস্ত হয়ে যাবে, তা বেশ স্পষ্ট। সুতরাং এক বড় ঝড় যে আসতে চলেছে তাদের উপর, তা আর বলার বাকি নেই। এবার দেখার বিষয় যে কবে সেই ঢেউ আঁচড়ে পড়ে আরএসপির উপর। কে তিনি? জানা যাবে শীঘ্রই।









