spot_img
Friday, 20 February, 2026
20 February
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গCPI(M) Gen Z Protest: নেতৃত্বকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ! বিনয় কোঙারের ছেলের পোস্টে সিপিএমে...

CPI(M) Gen Z Protest: নেতৃত্বকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ! বিনয় কোঙারের ছেলের পোস্টে সিপিএমে বিদ্রোহের সুর

লালদলের অন্দরে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছে। সংগঠনের নিচুতলায় অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা সুকান্ত কোঙার-এর একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে লালদলের অন্দরে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছে। প্রাক্তন দাপুটে নেতা প্রয়াত বিনয় কোঙারের বড় ছেলে সুকান্তর মন্তব্যের পর থেকেই সংগঠনের নিচুতলায় অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

সুকান্ত কোঙার লিখেছিলেন, “পশ্চিম বাংলায় খেটে খাওয়া মানুষের একটা বড় অংশ বামপন্থীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে আছে। এদের মন বোঝা দরকার।” এই মন্তব্য ঘিরেই কার্যত ‘ফেসবুক বিদ্রোহ’-এর সূচনা।

আরও পড়ুনঃ কার্শিয়ঙের বিজেপি মন্দিরের ‘বিষ্ণু’-র ‘প্রসাদ’ তৃণমূলে! ঘাসফুলে বিজেপির বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা

বর্ধমান-১ ব্লকের সিপিএম কর্মী রূপকুমার গুপ্ত প্রকাশ্যে লিখেছেন, বর্তমান নেতৃত্বের পক্ষে কোনও গ্রামে ১০-১৫ জন গরিব মানুষকে নিয়ে মিছিল করা সম্ভব নয়। তাঁর দাবি, বামফ্রন্ট আমলে যে গরিব মানুষ কাস্তে-হাতুড়ি-তারা চিহ্নে ভোট দিতেন, তাঁদের বড় অংশ এখন তৃণমূল কংগ্রেস বা ভারতীয় জনতা পার্টি-র দিকে ঝুঁকেছেন।

রূপকুমার আরও অভিযোগ করেছেন, বুথে পর্যাপ্ত এজেন্ট না থাকা সত্ত্বেও কাগজে-কলমে ১০০ শতাংশ বুথে এজেন্ট দেওয়ার দাবি করা হয়। এমনকি নেতৃত্ব শাসকদলের সঙ্গে গোপন সমঝোতা করছে কি না, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

ভোট সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন

শেখ জানে আলম নামে আর এক সিপিএম কর্মীও সুকান্তর বক্তব্যকে সমর্থন করে লেখেন, পার্টি নেতৃত্ব বাস্তবতা স্বীকার করতে চাইছে না। তাঁর মতে, ভোটে হারলে দায় চাপানো হয় প্রশাসন বা কারচুপির উপর, কিন্তু সংগঠনের দুর্বলতা নিয়ে আত্মসমালোচনা হয় না।

আরও পড়ুনঃ দুই বাসের রেষারেষি; নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পরপর ধাক্কা সাইকেল-বাইক-অটোতে

জেলা নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া

সুকান্ত কোঙারের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন কৃষক সভার রাজ্য নেতা অমল হালদার ও সিপিএমের পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক সৈয়দ হোসেন। তাঁদের মতে, প্রান্তিক শ্রেণির একটি বড় অংশ বিভ্রান্তির কারণে বামপন্থীদের থেকে দূরে সরে গিয়েছে। তাঁদের ফেরানোই এখন দলের প্রধান কাজ।

তবে নিচুতলার কর্মীদের এই প্রকাশ্য ক্ষোভ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে সংগঠনের ভিত মজবুত করার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সিপিএম।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন