spot_img
Saturday, 21 February, 2026
21 February
spot_img
HomeদেশJyotirmath Shankaracharya: সঙ্ঘপ্রধানকে তিন সন্তানের বাবা হওয়ার পরামর্শ শঙ্করাচার্যের

Jyotirmath Shankaracharya: সঙ্ঘপ্রধানকে তিন সন্তানের বাবা হওয়ার পরামর্শ শঙ্করাচার্যের

এই মন্তব্য নিয়ে এখন সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলেও তুমুল আলোচনা চলছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ফের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু শঙ্করাচার্য। এবার সরব হলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের বিরুদ্ধে। দেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে জ্যোতির্মঠের শঙ্করাচার্য স্বামী অবিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতীর একটি মন্তব্য। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে দেওয়া পরামর্শের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বেশ কড়া ভাষায় বলেছেন যে, “সঙ্ঘপ্রধানকে প্রথমে বিয়ে করা উচিত। অন্তত তিনটি সন্তানের জন্ম দিয়ে তারপর তাঁর ফৌজকে একই কাজ করতে বলা উচিত।”

আরও পড়ুনঃ নেতৃত্বকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ! বিনয় কোঙারের ছেলের পোস্টে সিপিএমে বিদ্রোহের সুর

এই মন্তব্য নিয়ে এখন সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলেও তুমুল আলোচনা চলছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন প্রো-হিন্দু বলে পরিচিত ব্যক্তিদের প্রতি শঙ্করাচার্যের এমন বিরোধিতার কারণ কী?মোহন ভাগবত গত কয়েক বছরে একাধিকবার হিন্দু সমাজকে অন্তত তিনটি সন্তান জন্ম দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর যুক্তি ছিল, হিন্দু জনসংখ্যার হার ক্রমাগত কমছে, যা দীর্ঘমেয়াদে সমাজ ও সংস্কৃতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি বলেছেন, পরিবারগুলোকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং দেশের জনসংখ্যা নীতির প্রেক্ষিতে সকলেরই এই দায়িত্ব নেওয়া উচিত। এই বক্তব্যকে অনেক হিন্দু সংগঠন সমর্থন করলেও, কিছু ধর্মীয় নেতা এতে ভিন্ন মত পোষণ করছেন।স্বামী অবিমুক্তেশ্বরানন্দের এই জবাবকে অনেকে ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে দেখছেন। তিনি সরাসরি মোহন ভাগবতের ব্যক্তিগত জীবনকে টেনে এনে বলেছেন যে, যিনি নিজে সংসারী নন, তিনি কীভাবে অন্যদের সন্তান জন্ম দেওয়ার উপদেশ দিতে পারেন?

আরও পড়ুনঃ কার্শিয়ঙের বিজেপি মন্দিরের ‘বিষ্ণু’-র ‘প্রসাদ’ তৃণমূলে! ঘাসফুলে বিজেপির বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা

তাঁর মতে, এই ধরনের পরামর্শ দেওয়ার আগে নিজেকে উদাহরণ হিসেবে স্থাপন করা উচিত। এছাড়া তিনি আরও বলেছেন যে, আরএসএসের ‘ফৌজ’ অর্থাৎ স্বয়ংসেবকদেরও একই পথ অনুসরণ করতে বলা হচ্ছে, কিন্তু এতে বাস্তবতা কতটা?এই ঘটনা আসলে হিন্দু সমাজের অভ্যন্তরীণ মতভেদকে সামনে এনেছে। একদিকে আরএসএস ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো হিন্দুত্বের রাজনৈতিক ও সামাজিক দিকটাকে জোর দিয়ে জনসংখ্যা, সংস্কৃতি রক্ষা ও জাতীয়তাবাদের প্রসঙ্গ তুলছেন।
 

অন্যদিকে ঐতিহ্যবাহী শঙ্করাচার্য পীঠের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মনে করেন যে, হিন্দু ধর্মের মূল শক্তি তার আধ্যাত্মিকতা, সনাতন মূল্যবোধ এবং ব্যক্তিগত সাধনায়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির মতো বিষয়কে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ধর্মের অপমান। স্বামী অবিমুক্তেশ্বরানন্দ অতীতেও মোহন ভাগবতের বিভিন্ন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন যেমন মন্দির-মসজিদ বিতর্ক নিয়ে নীরবতা, জাতিভেদ নিয়ে বক্তব্য ইত্যাদি। তিনি মনে করেন, আরএসএসের হিন্দুত্ব অনেক সময় রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা সত্যিকারের সনাতন ধর্মের সঙ্গে মেলে না।

 

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন