spot_img
Sunday, 8 March, 2026
8 March
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গTarakeswar: বাংলা ও বাঙালীর লজ্জ্বা, ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল কাণ্ড তারকেশ্বর ডাক্তারের! কিন্তু...

Tarakeswar: বাংলা ও বাঙালীর লজ্জ্বা, ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল কাণ্ড তারকেশ্বর ডাক্তারের! কিন্তু হলটা কি?

তারকেশ্বরের লোকনাথ এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালে পৌলমীকে ভর্তি করেন তাঁর স্বামী শুভাশিস চক্রবর্তী।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সাহেব দাস, তারকেশ্বরঃ

কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে হাওড়ায় মৃত্যু তরুণীর। আর তারকেশ্বরে বসেই হোয়াটসঅ্যাপে ডেথ সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দিলেন চিকিৎসক!মৃতাকে না দেখেই কীভাবে মৃত্যু নিশ্চিত করে ডেথ সার্টিফিকেট দিলেন চিকিৎসক? উঠছে প্রশ্ন। তরুণীর মৃত্যুর কারণ নিয়েও ধোঁয়াশায় আত্মীয়রা। পুনরায় হাওড়া থেকে তারকেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে দেহ এনে ময়নাতদন্তের দাবি তোলেন পরিবারের সদস্যরা। ঘণ্টা চারেক অপেক্ষা করার পর অবশেষে পুলিশি হস্তক্ষেপে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয় দেহ।

আরও পড়ুনঃ দিনক্ষণ ঘোষণা যেকোনও মুহূর্তে; আজ রাতেই রাজ্যে জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁর টিম

মৃতার নাম পৌলমী চক্রবর্তী। বয়স ২৪। শ্বশুরবাড়ি হুগলির মশাটে। তবে বছর দুয়েক ধরে হরিপালের জেজুরে বাপেরবাড়িতেই থাকছিলেন পৌলমী। তাঁর স্বামী শুভাশিস চক্রবর্তীও থাকছিলেন তাঁর সঙ্গে। পৌলমির একটি দুই বছরের কন্যাসন্তানও রয়েছে।

মৃতার পরিবারের অভিযোগ, কীভাবে চিকিৎসক ত্রিদিব প্রতিহার পৌলমীকে না দেখেই মৃত্যু নিশ্চিত করে ডেথ সার্টিফিকেট দিলেন বাড়িতে বসেই? তারকেশ্বরের একটি নার্সিংহোম, ওই চিকিৎসক এবং মৃতার স্বামীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন মৃতার আত্মীয়রা।

জানা গিয়েছে, গত ৫ মার্চ শারীরিক অসুস্থতার কারণে তারকেশ্বরের লোকনাথ এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালে পৌলমীকে ভর্তি করেন তাঁর স্বামী শুভাশিস চক্রবর্তী। ৬ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নতমানের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন তাঁর স্বামী। পৌলমীকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয় ওই নার্সিংহোম।

৬ মার্চ রাতে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় স্বামী শুভাশিস চক্রবর্তী পৌলমীর আত্মীয়দের জানান, পথে পৌলমীর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি হচ্ছিল। তাই হাওড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পথে পৌলমীর মৃত্যু হয়েছে। হাওড়া থেকেই হরিপাল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় মৃতদেহ। হরিপাল হাসপাতালে আসার আগেই হোয়াটসঅ্যাপে মৃতার স্বামীকে ডেথ সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দেন চিকিৎসক।

মৃতার আত্মীয়রা দেহ আনার খবর জানতে পেরে হাজির হন হরিপাল হাসপাতালে।আগেই ডেথ সার্টিফিকেট দিয়ে দেওয়ায় হরিপাল হাসপাতাল ফিরিয়ে দেয় মৃতার দেহ। মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয় মৃতার আত্মীয়দের। দেহ ময়নাতদন্তের দাবি তোলেন আত্মীয়রা। এরপরই শনিবার সকালে তারকেশ্বরের লোকনাথ এলাকায় যে নার্সিংহোমে প্রথমে চিকিৎসাধীন ছিলেন পৌলমী, সেই নার্সিংহোমের সামনে দেহ রেখে ময়নাতদন্তের দাবি তোলেন পরিবারের সদস্যরা। ওই নার্সিংহোমেই চিকিৎসক ত্রিদিব প্রতিহার চিকিৎসা করেছিলেন পৌলমী চক্রবর্তীর।

আরও পড়ুনঃ ভরপুর Sundey; জমে ক্ষীর রবিবার! আজ ‘হাঁড়ি, কড়াই, বাটি নিয়ে মিছিল’এর ডাক ঘাশফুলের

দীর্ঘক্ষণ মৃতদেহ নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন মৃতার আত্মীয়রা। এরপর তারকেশ্বর থানার দারস্থ হন মৃতার আত্মীয়রা। মৃতার পরিবারের অভিযোগ পেয়ে ওই নার্সিংহোমে আসে তারকেশ্বর থানার পুলিশ। মৃত্যুর কারণ অস্বাভাবিক হওয়ার কারণ দেখিয়ে মৃতার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ।

মৃতার পরিবারের আরও অভিযোগ, ওই নার্সিংহোম, চিকিৎসক ত্রিদিব প্রতিহার এবং স্বামী শুভাশিস চক্রবর্তীর যোগসাজসে মৃত্যুর কারণ লুকানো হয়েছে । মৃত্যুর কারণ এবং পৌলমীর মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী, তাদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি তোলেন মৃতার আত্মীয়রা। যদিও নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আইনি পথে যাওয়ার দাবি করেছে। চিকিৎসক ত্রিদিব প্রতিহার জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট জায়গায় তিনি তাঁর সমস্ত উত্তর দেবেন।

এদিকে, মৃতার স্বামী শুভাশিস চক্রবর্তী বলেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসুক, সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, আমি আমার বউটাকে হারিয়ে ফেলেছি। আমার একটা ২ বছরের বাচ্চা মেয়ে আছে। সে ২ দিন থেকে শুধু বলছে, বাবা মায়ের কাছে নিয়ে চলো। ১২ ঘণ্টা ধরে বউয়ের দেহ নিয়ে ঘুরছি। সবাই নানা অভিযোগ করছে। শুনছি। সেজন্যই বলছি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসুক।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন