বিশেষ প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:
জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মানহানির মামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করল দিল্লির সাকেত আদালত। ধ্রুব রাঠির গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-র কেন্দ্রীয় বিহার সোসাইটির বাড়ির দরজায় সমনের নোটিস সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আইটি সেলের সদস্য বিকাশ সংকৃত্যায়ন, যিনি বিকাশ পাণ্ডে নামে পরিচিত, এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। আগামী ১৭ অক্টোবর সাকেত আদালতে এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘শেষ চিহ্নটুকুও মুছে ফেলব’, এবার দেশবিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি অমিত শাহর
অভিযোগকারীকে আদালতের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সমন জারির অনুমতি দিয়েছিল বিচার বিভাগ। সেই অনুযায়ীই ধ্রুব রাঠির অনুপস্থিতিতে সমনটি সরাসরি তাঁর হাতে না দিয়ে বাড়ির মূল দরজায় টাঙিয়ে দেওয়া হয়। আদালতের এই পদক্ষেপের ফলে মামলাটিতে নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে।
এই আইনি বিরোধের সূত্রপাত হয় ২০১৮ সালে আপলোড করা ‘বিজেপি আইটি সেল পার্ট ২’ শীর্ষক একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। অভিযোগকারী বিকাশ পাণ্ডের দাবি, ওই ভিডিওটিতে তাঁর এবং বিজেপির আইটি সেলের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য অভিযোগ আনা হয়েছিল। ভিডিওতে দাবি করা হয়, বিকাশ পাণ্ডের মাধ্যমে মহাবীর প্রসাদ নামে এক ব্যক্তিকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং ধ্রুব রাঠিকে বদনাম করার উদ্দেশ্যে ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। বিকাশ পাণ্ডে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, এই মিথ্যা দাবির কারণে সমাজে তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনামের চরম ক্ষতি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ জলপাইগুড়িতে উদ্ধার টাকার পাহাড় ও প্রচুর গাঁজা; গৃহপ্রবেশের অনুষ্ঠানেই পুলিশের হানা!
আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে প্রথম সমন জারি করা হয়েছিল। তবে তিনি অস্ট্রিয়া প্রবাসী হওয়ায় এতদিন পর্যন্ত আদালতে হাজিরা দেননি। সম্প্রতি তিনি ভারতে এসে দিল্লি-এনসিআর এলাকায় অবস্থান করছেন এমন খবর সামনে আসতেই আদালত নতুন করে এই সমন জারির নির্দেশ দেয়।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই সমন জারির ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন ককরোচ জনতা পার্টি দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে একটি বিশেষ জাতীয় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচির আয়োজন করেছে এবং সেখানে ধ্রুব রাঠির উপস্থিত থাকার জল্পনা রয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবরের শুনানির দিকেই এখন নজর রয়েছে


