Sunday, 18 October, 2026
18 October
HomeকলকাতাChorbagan: টাকা দিয়েই দেখতে হচ্ছিল চোরবাগানের পুজো? দুই রকমের পাস ঘিরে বিতর্ক!

Chorbagan: টাকা দিয়েই দেখতে হচ্ছিল চোরবাগানের পুজো? দুই রকমের পাস ঘিরে বিতর্ক!

এই পুরো ঘটনার পর ভিআইপি পাসের কারবারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে লালবাজারের তদন্তকারীরা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজোয় পদপিষ্ট হয়ে ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনায় এবার যুক্ত হলো নতুন বিতর্কের মাত্রা। মণ্ডপে প্রবেশের জন্য সাধারণ দর্শনার্থীদের পাশাপাশি দেদার ভিআইপি পাস বিলি ও বিক্রির খবর সামনে এসেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, টাকার বিনিময়ে মণ্ডপে ঢোকার জন্য দুই ধরনের পাসের সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  মেডিক্যাল কলেজে শুধুই আর্তনাদ, পুলিশ ছিল না; ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছে গোটা কলকাতা

প্রথমত, একটি নামী ই-কমার্স সংস্থার মাধ্যমে বিক্রি হওয়া ৩৯৯ টাকার বিশেষ পাস, যাতে চোরবাগানসহ শহরের অন্যান্য কয়েকটি নামজাদা পুজোর নাম রয়েছে। দ্বিতীয়ত, চোরবাগান সর্বজনীনের নিজস্ব অফিসিয়াল পাস, যাতে থিমের নাম ‘অরব’, বিশেষ হলোগ্রাম এবং বিধান সরণি দিয়ে প্রবেশের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশ ও স্পনসরের নাম ছাপানো ছিল।

যদিও পুজো কমিটির নিজস্ব পাসে কোনো মূল্যের উল্লেখ পাওয়া যায়নি, তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান যে এই পাসগুলিও বিপুল অর্থের বিনিময়ে অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়ে থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  এখানেও ভাইপো সংস্কৃতি! চোরবাগানে মৃত্যুমিছিলের দায় কার? উৎসবের ভিড়ে প্রাণ হারানোর জবাব চায় বাংলা

একই সঙ্গে দর্শনার্থীদের অভিযোগ, পাস ছাড়া কোনোভাবেই মণ্ডপে প্রবেশ করে ঠাকুর দেখা যাবে না বলে একপ্রকার ভুয়ো প্রচার বা বিভ্রান্তিকর ঘোষণা চালানো হয়েছিল। এই বিভ্রান্তির জেরে বহু সাধারণ মানুষ পাসের পেছনে ছোটেন এবং একই সময়ে হাজার হাজার মানুষ একসাথে মণ্ডপে প্রবেশের তোড়জোড় শুরু করলে এক ভয়াবহ ও অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এই পুরো ঘটনার পর ভিআইপি পাসের কারবারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে লালবাজারের তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি পাস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কার বা কাদের অনুমোদনে এই পাস বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিক্রি করা হলো, মোট কত পাস বাজারে ছাড়া হয়েছিল এবং পুজো কমিটির কোনো শীর্ষ কর্তারা এই অনলাইন বা অফলাইন আর্থিক লেনদেনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন