কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
অসুস্থতা সত্ত্বেও এসআইআরের কাজের চাপ থেকে নিস্তার মেলেনি! বুধবার ভোররাতে মৃত্যু হল মালদহের বিএলও সম্পৃতা চৌধুরী সান্যালের। পরিবারের দাবি, এসআইআরের চাপের কারণেই এই মৃত্যু। খবর পেয়েই মৃতার বাড়িতে ছুটে যান স্থানীয় কাউন্সিলর।
আরও পড়ুনঃ চরিত্র পালটাবে না; প্যাংগং সো ঘিরে ফের উদ্বেগের ছায়া! লাদাখ সীমান্তে চিনের নীরব শক্তি প্রদর্শন
যদিও সব মৃত্যুর জন্য এসআইআরকে দুষলে চলবে না বলেই মন্তব্য স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের।
জানা গিয়েছে, মালদহের ইংরেজবাজার পুরসভার ফুলবাড়ি পাকুরতলা এলাকার বাসিন্দা সম্পৃতা চৌধুরী সান্যাল। তিনি পেশায় আইসিডিএস কর্মী ছিলেন। তিনি ইংরেজবাজার পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৬৩ নম্বর বুথের বিএলও’র দায়িত্বে ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ বুধেও জাঁকিয়ে ঠান্ডা কলকাতায়; দমদম ৯, শ্রীনিকেতনে ৬ ডিগ্রিতে, কলকাতায় ১০-এর ঘরেই থাকল শীতের কাঁটা
মৃতার স্বামী বললেন, “প্রচণ্ড কাজের চাপ ছিল। তার মধ্যে তীব্র শীত। গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল সম্পৃতা। ডাক্তার দেখানো হয়েছিল। তিনি বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। কিন্তু এসআইআর-এর কাজের চাপ প্রবল। ফলে অসুস্থতা সত্ত্বেও কাজ করতে গিয়েই সমস্যা আরও বাড়ে। আজ ভোরে মৃত্যু হয়েছে।”
খবর পেয়েই মৃতার বাড়িতে ছুটে যান ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর গায়ত্রী ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত চাপের ফলেই বিএলওরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। যার পরিণতি ভয়ংকর হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি। এপ্রসঙ্গে বিজেপি দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “যেকোনও মৃত্যু দুঃখজনক। তবে সব দায় নির্বাচন কমিশনের উপর চাপিয়ে দিলে হবে না। তৃণমূলের যারা জনপ্রতিনিধি বা নেতৃত্ব আছে তাঁরাও বিএলওদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে।”









