মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি এসে পড়তে পারে কলকাতায়। কারণ, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকটাই। সেই কারণেই এবার তার প্রভাব পড়তে পারে কলকাতা সহ শহরতলি এলাকার একাধিক অটো রুটে।
আরও পড়ুনঃ দেশজুড়ে আতঙ্ক! এক-এক করে বন্ধ হচ্ছে হোটেল-রেস্তরাঁ
অন্তত এমনটাই আশঙ্কা করছেন বেসরকারি পরিবহণ মহলের অনেকে। একাধিক অটোচালকেরাও কার্যত, পেট্রোল পাম্প থেকে এলপিজি পাওয়া নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগের মধ্যেই রয়েছেন। তাই শহর এবং শহরতলির বিভিন্ন এলপিজি পেট্রোল পাম্পে সকাল থেকেই ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। আপাতত যা খবর আসছে, পেট্রোল পাম্পগুলিতে অটোর লম্বা লাইনও চোখে পড়তে শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, কলকাতায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় তেল সরবরাহকারী সংস্থাগুলি ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা করে বাড়িয়েছে। ফলে, কলকাতায় একটি সিলিন্ডারের দাম ৮৭৯ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৯৩৯ টাকা। সেইসঙ্গে, ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামও প্রায় ১১৫ টাকা বেড়ে গেছে। যার জেরে আবার হোটেল, রেস্তোরাঁ, ছোট ব্যবসায়ী এবং অটোচালকরা বেশ সমস্যার মধ্যে পড়ছেন।
অপরদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে বলেই এই মূল্যবৃদ্ধি, এমনটাই দাবি তেল সরবরাহকারী সংস্থাগুলির। নতুন দাম ইতিমধ্যেই কার্যকরও করা হয়েছে। আর এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণেই, অটো চালানোর খরচও অনেকটা বেড়ে গেছে। তাই এখন অনেক রুটের অটো ইউনিয়নগুলি চাইছে যে, এই বিষয়ে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে এবং অনুমোদন নিয়ে অটোর ভাড়া বৃদ্ধি করতে।
তবে সামনেই আবার রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে কলকাতা এবং শহরতলির অটোচালকদের ইউনিয়নগুলি সবই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির অধীনে রয়েছে। তাই অটোর ভাড়া আদৌ বাড়ানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তাই এখনই বলা যাচ্ছে না যে, অটো ভাড়া আদৌ বাড়ছে কিনা।









