ব্যারাকপুরে অবৈধ নির্মাণকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, কাউন্সিলরের লাথিতে মৃত্যু হয়েছে এক বৃদ্ধের। অভিযোগের কেন্দ্রে উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং পেশায় আইনজীবী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। তবে সমস্ত অভিযোগকেই ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ উপগ্রহচিত্রে ধরা দিল ভারতের সিঁদুরে গুঁড়িয়ে যাওয়া বিমানঘাঁটির পুনর্নির্মাণ পাকিস্তানের
ঘটনা ব্যারাকপুর মনিরামপুর এলাকার। স্থানীয় বাসিন্দা তুলসী অধিকারীর পরিবার অভিযোগ করে, তাদের বাড়ির সামনে বেশ কিছুদিন ধরে অবৈধ নির্মাণ চলছিল। শনিবার সেই কাজে বাধা দেন তুলসীবাবু। অভিযোগ, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। অভিযোগকারীর বক্তব্য, সেখানে উপস্থিত হয়েই তুলসী বাবু এবং তাঁর ছেলে হেমন্ত অধিকারীকে মারধর শুরু করেন তিনি।
পরিবারের দাবি, একাধিকবার ঘুষি-চড়ের পর বৃদ্ধকে লাথিও মারা হয়। সেই লাথির আঘাতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তুলসীবাবু। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট জগদীশচন্দ্র বসু হাসপাতাল-এ। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুনঃ বদলে যাবে পাকিস্তানের মানচিত্র? আসিম মুনিরের ঘুম কেড়েছেন ডোভাল!
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের ক্ষোভ, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। এমনকি ঘটনার পুনর্নির্মাণ এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। কাউকে আমি মারিনি। রাজনৈতিক স্বার্থে বদনাম করা হচ্ছে।”
পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসীর প্রশ্ন—এটা কি নিছক ঝামেলা, নাকি সত্যিই কাউন্সিলরের চড়-লাথির জেরে প্রাণ গেল ওই বৃদ্ধের?









