spot_img
Sunday, 15 February, 2026
15 February
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গBankura: বাংলার পিসি সরকারের গিলি গিলি ছু ম্যজিক, ছিল রুমাল হয়ে গেল...

Bankura: বাংলার পিসি সরকারের গিলি গিলি ছু ম্যজিক, ছিল রুমাল হয়ে গেল বিড়াল! এবার বাঁকুড়া

গ্রামবাসীদের প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়লেন তদন্তে যাওয়া বিডিও অফিসের কর্মীরা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সূর্যকান্ত চৌধুরী, বাঁকুড়াঃ

এ যেন পিসি সরকারের গিলি গিলি ছু ম্যজিক। ছিল রুমাল হয়ে গেল বিড়াল। আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্পে গ্রামবাসীরা যে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সেই কাজ না করে ইচ্ছেমতো কাজ করে বরাদ্দ টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠল গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুনঃ পুলিশ-জনতার সংঘর্ষ! মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ

ঘটনার জেরে গ্রামবাসীদের প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়লেন তদন্তে যাওয়া বিডিও অফিসের কর্মীরা। ঘটনা বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের বিজেপি পরিচালিত তেঘরী গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোলগড়িয়া ও জগন্নাথপুর গ্রামের।

বাঁকুড়ার তেঘরী গ্রাম পঞ্চায়েতের জগন্নাথপুর ও ঘোলগড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত মিলিয়ে একটি গ্রাম সংসদ।সেখানে ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্পের’ নিয়ম মেনে ওই গ্রাম সংসদের মানুষ একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওই প্রকল্পে বরাদ্দ টাকায় জগন্নাথপুর গ্রামের রাস্তার একাংশ পাকা করা হবে। পাশাপাশি জগন্নাথপুর ও ঘোলগড়িয়া গ্রামে দুটি পৃথক আইসিডিএস কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ ও ওয়েরিং-এর কাজ হবে। একই সঙ্গে জগন্নাথপুর গ্রামের হরিমন্দির আটচালায় বসবে হাইমাস্ট লাইট। সেই সিদ্ধান্ত লিখিত ভাবে জানানো হয়েছিল স্থানীয় তেঘরী গ্রাম পঞ্চায়েতে।

আরও পড়ুনঃ ভারতের ‘সবচেয়ে প্রিয় রাজনীতিবিদ’ ভারতীয় সিনেমার চেহারা বদলে দিয়েছিলেন; তাঁর জন্মবার্ষিকীতে বঙ্গবার্তার শ্রদ্ধাঞ্জলি

কিন্তু গ্রামবাসীদের সেই সিদ্ধান্ত পঞ্চায়েতে যাওয়ার পর অদৃশ্য কারণে বদলে যায়। গ্রামের মানুষ সম্প্রতি দেখেন দুটি পৃথক আইসিডিএস কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ ও ওয়েরিং এর কাজ গায়েব হয়ে গিয়েছে। বদলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দুটি পৃথক আইসিডিএস কেন্দ্রে বসানো হয়েছে হাই মাস্ট আলো। দু’টি কাজের জন্য বরাদ্দ টাকাও তুলে নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পেয়ে ছাতনা ব্লকের আধিকারিকেরা ঘটনার তদন্তে গ্রামে গেলে সরকারি প্রকল্পের টাকা এভাবে নয়ছয়ের অভিযোগে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর দাবি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও নির্মাণ সহায়ক সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের যোগসাজসে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করার উদ্যেশ্যেই এমন কাজ করেছেন। নজরদারিতে গাফিলাতির কথা স্বীকার করলেও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন নির্মাণ সহায়ক ও সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান। তৃণমূল পরিচালিত ছাতনা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দাবি রাজ্য সরকারের বদনাম করার উদ্যেশ্যেই বিজেপি পরিচালিত তেঘরী গ্রাম পঞ্চায়েত এমন কাজ করেছে। এর বিরুদ্ধে প্রকৃত তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। বিজেপির পাল্টা দাবি, মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে বিজেপির পঞ্চায়েত প্রধান ও সদস্যকে ফাঁসিয়ে নিজেদের দলে টানার উদ্যেশ্যেই এই চক্রান্ত করেছে তৃণমূল।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন